কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে প্রতিপক্ষ প্রার্থীদেরকে কেন্দ্রে ঢুকতে বাধার অভিযোগ ওঠেছে। বুধবার (২৯ মে) সাড়ে ১০টার দিকে তৃতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে উপজেলার নোয়াবাদ ইউনিয়নের সিংগুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, উপজেলার নোয়াবাদ ইউনিয়নের ৯৪ নং সিংগুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শন করতে আসেন দোয়াত কলমের প্রার্থী শফিউল আলম জনি। নিজ বাড়ির পাশে কেন্দ্র হওয়া কাপ-পিরিচের প্রার্থী মো. ফজলুর রহমান রাজু দোয়াত কলমের প্রার্থী শফিউল আলম জনিকে বাধা দেয়। এছাড়াও কেন্দ্রের বাইরে থাকা অন্য প্রার্থীদের তথ্য সরবরাহ টেবিলও সরিয়ে দেয় রাজু। কেন্দ্রে কাপ-পিরিচের ভোটার ছাড়া অন্য ভোটারদেরকেও বাধা দিচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
দোয়াত কলমের প্রার্থী শফিউল আলম জনি জানান, আমি কেন্দ্র পরিদর্শন করতে আসি। এসময় কাপ-পিরিচের প্রার্থী মো. ফজলুর রহমান রাজু আমাকে বাধা দেয়। এছাড়াও কেন্দ্রের বাহিরে আমার সমর্থকদের বসানো টেবিলও সরিয়ে দেয়। আমি বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানিয়েছি।
৯৪ নং সিংগুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিজাংডি অফিসার সাইফুল আলম বলেন, কেন্দ্রে ২১৯৮জন ভোটার রয়েছেন। কেন্দ্রের ভিতরে পরিবেশ ঠিক রয়েছে। কেন্দ্রের বাহিরে একবার উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল পরে স্টাইকিং ফোর্স এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, ওই কেন্দ্রে ম্যাজিস্ট্রেট পাঠানো হয়েছে। উনি গিয়ে ব্যবস্থা নিবেন।
করিমগঞ্জ উপজেলায় মোট ভোটার রয়েছে ২ লাখ ৭২ হাজার ৯৪৬ জন। ৯৯ কেন্দ্র ভোট প্রদান করবেন তারা। এই উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৮ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।








