কাগজে-কলমে সেমিফাইনালের দৌড়ে আফগানরা টিকে থাকলেও সমীকরণটা ছিল প্রায় অসম্ভব। গ্রুপপর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে বড় ব্যবধানেই জিততে হতো আফগানদের। সমীকরণ সামনে রেখে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে খেলতে নেমে চাপে পড়েছিল আফগানরা। তবে আজমতউল্লাহ’র দুর্দান্ত ইনিংসে প্রোটিয়াদের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিয়েছে হাসমতউল্লাহ শহিদীর দল।
আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে টসে আগে ব্যাটের সিদ্ধান্ত নেন আফগান অধিনায়ক হাসমতউল্লাহ শহিদী। আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের অপরাজিত ৯৭ রানের ইনিংসে নির্ধারিত ওভার শেষে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৪৪ রানের সংগ্রহ গড়েছে আফগানিস্তান।
ব্যাটে নেমে প্রোটিয়া বোলারদের ভালোভাবেই মোকাবেলা করেছিলেন আফগানদের দুই ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজ ও ইব্রাহিম জাদরান। ৪১ রান তোলেন তারা। নবম ওভারে প্রথম বলে গুরবাজ ফিরে যান ২২ বলে ২৫ রান করে।
পরের দুইওভারে আরও দুই ব্যাটারকে হারায় তারা। জাদরান ফিরে যান ৩০ বলে ১৫ রান করে। হাসমতউল্লাহ ফেরেন ৭ বলে ২ রান করে।
৪৫ রানে তিন ব্যাটারকে হারিয়ে চাপে পড়া আফগানদের হাল ধরেন রহমত শাহ ও আজমতউল্লাহ। ৪৯ রানের জুটি গড়ে রহমত ফিরে যান ৪৬ বলে ২৬ রান করে।
এরপর ব্যাটারদের আসা যাওয়ার মিছিলে একপ্রান্ত আগলে রাখেন আজমতউল্লাহ। ৭১ বলে তুলে নেন ফিফটি। এরপর নুর আহমেদকে নিয়ে অষ্টম উইকেট জুটিতে ৪৪ রানের জুটি গড়েন। ৪৬তম ওভারে দলীয় ২০৪ রানে নুরকে ফেরান জেরাল্ড কোয়েটজি।
৪৮তম ওভারে মুজিব উর রহমানকে নিজের চতুর্থ শিকার বানান কোয়েটজি। এরপর সেঞ্চুরির কাছে গিয়ে আক্ষেপ নিয়ে ইনিংস শেষ করতে হয়েছে আজমতউল্লাহকে। ৯৭ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। ওভারের শেষ বলে রান আউট হন নাভিন উল হক।
প্রোটিয়াদের হয়ে সর্বোচ্চ চার উইকেট নেন জেরাল্ড কোয়েটজি। লুনগি এনগিদি ও কেশব মহারাজ নেন দুটি করে উইকেট। আন্দিলে ফেলুকোয়ও নেন এক উইকেট।








