‘টিম ম্যানেজমেন্টের সাথে সাকিব যখন কথা বলেছে, তার ব্যাটিং নিয়ে একটু অনুশীলন দরকার। আবার সেদিন আমাদের বিশ্রামের দিন ছিল। কলকাতা থেকে কাছে ছিল। এজন্য আসলে গিয়েছে। আসলে অন্যকোনো কারণে দেশে যায় নাই। কোচ আর ম্যানেজমেন্ট যখন বলেছে আচ্ছা ঠিক আছে, তখন গেছে। কোনো নিয়ম ভঙ্গ করে যায় নাই। অনুমতি নিয়েই গিয়েছে।’
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচের আগে কলকাতায় না গিয়ে সাকিব আল হাসানের দেশে ফেরা নিয়ে এমন পরিষ্কার তথ্যই দিলেন তাসকিন আহমেদ। শুক্রবার ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে জানালেন, টাইগার অধিনায়কের দেশে যাওয়ার বিষয়টি দলের সবাই ইতিবাচকভাবেই নিয়েছে।
আসরে এপর্যন্ত ৪ ম্যাচে নেমে নামের সুবিচার করতে পারেননি টাইগারদের বাঁহাতি বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। ব্যাটিংয়ে সময় ভালো যাচ্ছে না ৩৬ বর্ষী সাকিবের। মূলত ব্যাটিং নিয়ে কাজ করতেই তার হুট করে দেশে ফেরার বিষয়টির আরও বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিলেন তাসকিন।
‘তিনি ফিরে আসার পর দারুণ সময় পার করেছি। উন্নতির জন্য দেশে গেছেন। আপনারা জানেন প্রত্যাশামতো তিনি ব্যাটিং করতে পারছেন না। আমাদের দলের ভালোর জন্য, নির্দিষ্ট কিছু অনুশীলনের জন্য গিয়েছিলেন। আমি মনে করি তাকে আমাদের আপ্রিশিয়েট করা উচিৎ। বিসিবির ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে তিনি কথা বলেছিলেন। আমাদের অফিশিয়াল অনুশীলনের সময় তিনি এখানেই ছিলেন। আমরা কোনো সমস্যায় জর্জরিত হইনি।’
দুঃসময় উৎরাতে শৈশবের গুরু নাজমুল আবেদীন ফাহিমের শরণাপন্ন হয়েছেন সাকিব। আগে আইপিএলে খেলার সময়ে বাজে পারফরম্যান্সের জন্য কোচ সালাহউদ্দিনকে ভারতে উড়িয়ে নিয়েছিলেন একান্ত অনুশীলন সারতে। তার সুফলও পেয়েছিলেন। এবার নিজেই দেশে এসে মিরপুরে কাজ করে গেছেন কোচ নাজমুলের সঙ্গে।
অধিনায়ক হওয়ায় সাকিব বাড়তি সুবিধা পাচ্ছেন কিনা- এমন প্রশ্নে যেন ইয়র্কারই ছুঁড়েছেন টাইগার পেসার। বলেছেন, ‘দেশে যাওয়ার পর ৪ ঘণ্টা ব্যাটিং অনুশীলন করেছে। পরেরদিনই অনুশীলন করে আবার চলে এসেছে। আমরা খেলোয়াড়রা অ্যাপ্রিশিয়েট করেছি। আমাদের দলের জন্য তার ব্যাটিংটা এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে, সেও মরিয়া কীভাবে ভালো করা যায়।’
‘তার আসার পর আমাদের দলের সবাই একটা ডিনার করেছি। একটা ভালো সময় কাটিয়েছি। আশা করছি সামনে নতুন করে শুরু করবো ভালো কিছু করে। চারটা ম্যাচ আছে, এই চারটা ম্যাচও যদি ভালো খেলতে পারি, তাহলে ভিন্ন কিছু হতে পারে। এখন আসলে কালকের ম্যাচটাই মূল ফোকাস।’








