এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফির ফাইনালে কেনিয়াকে হারিয়ে প্রথম আন্তর্জাতিক শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। আকরাম খান-মিনহাজুল আবেদিন নান্নুদের হাত ধরে এসেছিল স্মরণীয় অর্জন। সেই টুর্নামেন্টে খেলা ক্রিকেটাররা ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন বহু আগে। তবে ব্যতিক্রম একজন- ফ্রাঙ্ক নসুবুগা। সেসময় ইস্ট সেন্ট্রাল আফ্রিকার হয়ে ১৬ বছর বয়সে অভিষেক হওয়া অফস্পিনার এবারের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলছেন উগান্ডার জার্সিতে।
চলতি বিশ্বকাপে ৩ জুন আফগানিস্তানের বিপক্ষে হার দিয়ে আসর শুরু হয় প্রথমবার বিশ্বমঞ্চে খেলতে আসা উগান্ডার। ম্যাচের একাদশে ছিলেন না নসুবুগা। ৫ জুন পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে জয় পায় তাদের দল। ৪৩ বছর ২৮২ দিন বয়সে বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেয়ে বল হাতে ঝলক দেখান তিনি। ৪ ওভারে দুটি মেডেন ওভার আদায় করে নেয়ার পাশাপাশি ৪ রান খরচায় নসুবুগা নেন ২ উইকেট।
অবশ্য সবচেয়ে বয়স্ক ক্রিকেটার হিসেবে বিশ্বকাপ খেলা হচ্ছে না নসুবুগার। বয়স্ক ক্রিকেটার হিসেবে দুইয়ে অবস্থান তার। সবচেয়ে বেশি বয়সে বিশ্বকাপ খেলার রেকর্ডটি জিম্বাবুয়ের রায়ান ক্যাম্পবেলের দখলে। ২০১৬ বিশ্বকাপে হংকংয়ের বিপক্ষে ম্যাচে নামার দিনে তার বয়স ছিল ৪৪ বছর ৫০ দিন।
উগান্ডার জার্সিতে নসুবুগার অভিষেক ২০১০ সালের জানুয়ারিতে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে। তখনও আইসিসি থেকে টি-টুয়েন্টি খেলুড়ে দেশের মর্যাদা পায়নি উগান্ডা। বছর পাঁচেক আগে টি-টুয়েন্টি খেলুড়ে দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পায় দেশটি। সবমিলিয়ে নসুবুগা ক্যারিয়ারে মোট ৫৫টি আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টি খেলে উইকেট নিয়েছেন ৫৭টি। ব্যাট হাতে ২১ ইনিংসে সুযোগ পেয়ে করেছেন ১৫৮ রান।
বল হাতে ব্যাটারদের দমিয়ে রেখে বেশ কয়েকটি রেকর্ডের মালিক হয়েছেন এ অফস্পিনার। টি-টুয়েন্টিতে সবচেয়ে কম ইকোনমি রেটে বল করা ক্রিকেটারের মুকুট তার দখলে। ১৮৭.৫ ওভার বল করে ৪.৭১ ইকোনমি রেটে রান দিয়েছেন ৮৮৬। পাশাপাশি টি-টুয়েন্টিতে সর্বোচ্চ মেডেন আদায় করার রেকর্ডও তার দখলে। মোট ১৭টি মেডেন আদায় করে নিয়েছেন নসুবুগা।








