২০০০ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দ্বিতীয় আসরে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ভারতের মুখোমুখি হয়েছিল নিউজিল্যান্ড। সৌরভ গাঙ্গুলির দলকে কাঁদিয়ে শিরোপা উঁচিয়ে ধরে স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের নিউজিল্যান্ড। প্রতিযোগিতায় একবারই শিরোপা জিতেছে কিউইরা। ২৫ বছর শিরোপা মঞ্চে আবারও সেই ভারতের সামনেই ব্ল্যাক ক্যাপস দল, এবারও সেই স্মৃতি ফিরিয়ে আনতে চায় নিউজিল্যান্ড।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে হবে ফাইনাল মহারণ। রোববার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায় শুরু হবে মাঠের লড়াই। এবারের আসরের আয়োজক পাকিস্তান হলেও রাজনৈতিক কারণে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে দেশটিতে খেলতে যায়নি ভারত। যে কারণে হাইব্রিড মডেলের আসরে ভারত ম্যাচ খেলছে দুবাইতে।
২০০৯ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, ২০১৫ ও ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপ এবং ২০২১ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলেছে নিউজিল্যান্ড। প্রতিবারই ট্রফির মঞ্চ থেকে ফিরতে হয়েছে খালি হাতে। প্রথম আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা অবশ্য তারা জিতেছে ২০২১ সালে। তবে রঙিন পোশাকে বর্ণিল ফাইনাল আর আসেনি। ট্রফি সেই একটিই।
দুই যুগেরও বেশি সময় পর আরেকটি ফাইনালের আগে ৩২ বর্ষী টপঅর্ডার উইল ইয়াং বলেছেন, ‘ওই দলে আইকনিক কিছু ক্রিকেটার ছিলেন এবং এখনকার দলের অনেকেই ওই ক্রিকেটারদের আদর্শ মেনেই বেড়ে উঠেছে। ২৫ বছর পর সেই কীর্তির পুনরাবৃত্তি করার সুযোগ পাওয়াটা দারুণ।’
‘আমার বয়স তখন ছিল আট বছর, সবে খেলাটির ভালোবাসায় পড়তে শুরু করেছিলাম। ওই টুর্নামেন্টে নিউজিল্যান্ড যেভাবে রাজত্ব করেছিল, তা ভালোভাবেই মনে আছে। তাদেরকে জিততে দেখাটা ছিল দারুণ ব্যাপার। দেশ ছাড়ার সময় প্লেনে ওঠার আগে ওই সময়টার কথা ভাবছিলাম আমি। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির স্কোয়াড ঘোষণার দিন স্কট স্টাইরাস (সেবারের জয়ী দলের অলরাউন্ডার) ছিলেন। ওই দলের এবং টুর্নামেন্টে তাদের পারফরম্যান্সের কিছু গল্প শুনেয়েছিলেন তিনি।’
‘অতীতকে স্বীকৃতি দেয়ার ব্যাপারটি ভালো। নিউজিল্যান্ড আগেও কাজটা করেছে (চ্যাম্পিয়ন হয়েছে)। এখন ব্যাপারটা হলো সেই ধারা ধরে রাখার। আশা করি, দিন দুয়েকের মধ্যে আমরাও কাজটি করতে পারব।’







