নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে বল হাতে দারুণ করেছেন নাহিদ রানা, হয়েছেন টুর্নামেন্ট সেরাও। চোট কাটিয়ে শেষ ওয়ানডেতে ফিরে ৫ উইকেট নিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। কিউইদের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের পর ৩ ম্যাচের টি-টুয়েন্টি খেলবে বাংলাদেশ। প্রথম দুই ম্যাচের স্কোয়াডে নেই তারকা দুই পেসার। তাদের না থাকাকে সুযোগ হিসেবে দেখছেন নিউজিল্যান্ড পেসার ইশ সোধি। তবে রিপন মণ্ডল ও আব্দুল গাফফার সাকলাইনদের চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন তিনি।
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে আগামী ২৭ এপ্রিল গড়াবে সিরিজের প্রথম টি-টুয়েন্টি। ২৯ এপ্রিল একই ভেন্যুতে গড়াবে দ্বিতীয় ম্যাচ। এরপর মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তৃতীয় ও শেষ টি-টুয়েন্টিতে নামবে দুদল। সিরিজ শুরুর দুদিন আগে শনিবার চট্টগ্রামে অনুশীলন শেষে সংবাদ সম্মেলনে আসেন সোধি। প্রশংসা করেন বাংলাদেশের পেস ইউনিটের।
‘আমি মনে করি বাংলাদেশের পেসাররা সত্যিই খুব চিত্তাকর্ষক ছিল। তারা যেভাবে বোলিং করেছে, তা বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দলকেই চ্যালেঞ্জ জানাতে পারত।’
নাহিদ রানার আগে এশিয়ার কন্ডিশনে কোন বোলারকে ধারাবাহিকভাবে একই গতিতে বল করতে দেখেননি সোধি। বলেছেন, ‘নাহিদ রানা- আমি তাকে আগে বল করতে দেখিনি, কিন্তু তিনি ১০ ওভার জুড়ে প্রায় প্রতিটি বলেই তার গতি বজায় রেখেছিলেন। আমার মনে হয় না, আমি আগে এশীয় কন্ডিশনে অনেক আন্তর্জাতিক বোলারকে এমনটা করতে দেখেছি।’
নাহিদ রানার পাশাপাশি টি-টুয়েন্টি স্কোয়াডে নেই মোস্তাফিজও। এটিকে সুযোগ হিসেবে দেখছেন কিউইরা। সোধি বলেছেন, ‘মোস্তাফিজুর এবং নাহিদ রানা গত সিরিজে যেভাবে বোলিং করেছে… তারা না থাকাটা অবশ্যই কিছুটা ভিন্ন চ্যালেঞ্জ তৈরি করে। মোস্তাফিজের মতো বিশ্বমানের কেউ এবং বর্তমানে নাহিদ রানা যেভাবে বোলিং করছে, তারা না থাকাটা অবশ্যই যেকোন দলের জন্য বড় শূন্যতা। প্রতিপক্ষের জন্য বড় সুযোগ।’
তবে বাংলাদেশের বর্তমান স্কোয়াডের মধ্যে চ্যালেঞ্জ দেখছেন তিনি। কিউই পেসার বলেছেন, ‘যখন আপনি খেলোয়াড়দের কয়েকবার দেখেন, তখন আপনি ভিন্ন ভিন্ন বোলারের বিরুদ্ধে পরিকল্পনা তৈরি করতে পারেন। কিন্তু এখন এটি সম্পূর্ণ নতুন একটি দল এবং সেটি নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসবে।’
চ্যালেঞ্জ থাকলেও টি-টুয়েন্টি সিরিজের দিকে মুখিয়ে সফরকারীরা। সোধি বলেছেন, ‘টি-টুয়েন্টি সিরিজের দিকে তাকিয়ে আছি; বাংলাদেশের দলটা একটু ভিন্ন। এমন কিছু পেস বোলার থাকতে পারে যাদের আমরা আগে দেখিনি। তাই গত ওয়ানডে সিরিজে উচ্চমানের পেসারদের বিরুদ্ধে আমাদের যা শিক্ষা হয়েছে, তা নিতে হবে এবং টি-টুয়েন্টি সিরিজে নিজেদের সেরাটা দেয়ার চেষ্টা করতে হবে। তবে আমার মনে হয় এটা ভালো যে আমাদের ব্যাটাররা ইতিমধ্যে কন্ডিশনের স্বাদ পেয়েছে।’







