যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত ‘গোল্ড কার্ড’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন। এরই মধ্যে গোল্ড কার্ডের আবেদন গ্রহণের জন্য একটি ওয়েবসাইট চালু করা হয়েছে।
আজ (১১ ডিসেম্বর) বৃহস্পতিবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এনডিটিভি জানিয়েছে, হোয়াইট হাউসের রুজভেল্ট রুমে বুধবার ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে নিয়ে এই কর্মসূচির শুরুর ঘোষণা দেন ট্রাম্প। নতুন এই ব্যবস্থা ১৯৯০ সালে চালু হওয়া ইবি-৫ ভিসা প্রোগ্রামের পরিবর্তে কার্যকর হবে, যেটি বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য চালু হয়েছিল।
ট্রাম্প জানিয়েছেন, ১ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের বিনিময়ে বিদেশি নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে বসবাসের অনুমতি এবং পরবর্তীতে নাগরিকত্বের সুযোগ পাবেন। কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে প্রতিটি বিদেশি কর্মীর জন্য এই খরচ ধরা হয়েছে ২ মিলিয়ন ডলার। এই কর্মসূচির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র দক্ষ ও যোগ্য বিদেশি পেশাজীবীদের আকৃষ্ট করতে পারবে।
প্রেসিডেন্ট জানান, এছাড়াও এর ফলে সরকারি কোষাগারেও আসাবে বিপুল অর্থ। মূলত এটি গ্রিন কার্ডই, তবে আরও শক্তিশালী ও উন্নত সংস্করণ। গোল্ড কার্ড বিক্রি থেকে পাওয়া সব অর্থ সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের তহবিলে যাবে এবং ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট এ অর্থ ব্যবস্থাপনা করবে।
ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি বরাবরই কঠোর। দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে তিনি কড়া সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম চালু করেছেন। তবে দক্ষ অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্রে সুযোগ দেওয়ার পক্ষে মত দিয়ে তিনি নিজের ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ সমর্থক গোষ্ঠীর একাংশের সমালোচনার মুখেও পড়েছেন।
ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে পাস করা চীন, ভারত ও ফ্রান্সের মেধাবীদের মতো যোগ্য ব্যক্তিরাই গোল্ড কার্ড পাওয়ার সম্ভাব্য প্রার্থী। এই কর্মসূচির ফলে আমরা আমাদের দেশে সত্যিকারের অসাধারণ মানুষগুলোকে পাব।








