ক্রাইম থ্রিলারের দুনিয়ায় ফের সাড়া ফেলেছে নেটফ্লিক্সের নতুন সিনেমা ‘ফেসিং এল চ্যাপো’। মুক্তির মাত্র এক দিনেই বিশ্বজুড়ে নেটফ্লিক্সের সবচেয়ে জনপ্রিয় সিনেমার তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত এই ক্রাইম থ্রিলার।
২১ আগস্ট নেটফ্লিক্সে মুক্তি পাওয়া সিনেমাটির দৈর্ঘ্য মাত্র ৯১ মিনিট। পরিচালনা করেছেন চাভা কার্তাস। এতে অভিনয় করেছেন আলফোনসো হেরেরা, নোয়ে হার্নান্দেজ ও হেক্টর কটসিফাকিস।
‘ফেসিং এল চ্যাপো’-এর গল্প আবর্তিত হয়েছে বিশ্বের অন্যতম কুখ্যাত মাদক সম্রাট জোয়াকিন ‘এল চ্যাপো’ গুজমানকে ঘিরে।
গল্পে দুই পুলিশ কর্মকর্তা একটি চুরি যাওয়া গাড়ি থামান। কিন্তু গাড়িটি তল্লাশি করতে গিয়ে তারা আবিষ্কার করেন, এর ভেতরে থাকা ব্যক্তি আর কেউ নন- মেক্সিকোর কুখ্যাত মাদক সম্রাট এল চ্যাপো।
সেখান থেকেই শুরু হয় টানটান উত্তেজনার এক অধ্যায়। সিনেমাটি মূলত ২০১৬ সালে কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া এল চ্যাপোকে পুনরায় গ্রেপ্তারের সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত।
এর আগে ২০১৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে মেক্সিকোর একটি কারাগার থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। পরবর্তী সময়ে তার পুনরায় গ্রেপ্তার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
এল চ্যাপোকে নিয়ে নেটফ্লিক্সের দ্বিতীয় বড় কাজ এটি। ২০১৭ সালে মুক্তি পাওয়া ‘এল চ্যাপো’ সিরিজে তার জীবন, অপরাধজগতের উত্থান ও মাদক সাম্রাজ্যের বিস্তৃত গল্প দেখানো হয়েছিল। তিন মৌসুমের সেই সিরিজের তুলনায় ‘ফেসিং এল চ্যাপো’ সুনির্দিষ্ট বিষয়কে কেন্দ্র করে নির্মিত। আর এই সংক্ষিপ্ত, ঘটনাবহুল সময়ের গল্পই দর্শকদের আগ্রহের বড় কারণ হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
এল চ্যাপো নামটির সঙ্গে দর্শকদের আগে থেকেই পরিচয় থাকায় সিনেমাটি মুক্তির পর দ্রুত দর্শকের নজরে আসে। একই সঙ্গে প্রায় এক দশক আগে ‘এল চ্যাপো’ সিরিজ দেখা দর্শকদের কাছেও নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে এই কুখ্যাত মাদক সম্রাটের গল্প দেখার আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
মুক্তির প্রথম দিনেই বিশ্বজুড়ে নেটফ্লিক্সের শীর্ষ সিনেমা হয়ে ওঠা ‘ফেসিং এল চ্যাপো’ আগামী দিনগুলোতেও এই জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে পারে কি না, এখন সেটিই দেখার বিষয়। স্ক্রিনর্যান্ট








