চার বছর স্বেচ্ছা নির্বাসনে থাকার পর পাকিস্তানে ফিরলেন দেশটির দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। শনিবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে একটি চাটার্ড বিমানে দুবাই হয়ে ইসলামাবাদে পৌঁছান তিনি। বিমানবন্দরে তার সঙ্গে ছিলেন দলের শীর্ষ নেতাদের একাংশ এবং পরিবারের সদস্যেরা।
নওয়াজ দেশে ফেরায় দেশটির গ্রেটার ইকবাল পার্কে মিছিলের আয়োজন করেছেন পিএমএল (এন) সমর্থকরা। উজ্জীবিত হচ্ছেন নেতাকর্মীরা। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এ়ড়াতে অতিরিক্ত সাত হাজার পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।
আগামী জানুয়ারিতে পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচন হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন। পাকিস্তানে নওয়াজের প্রত্যাবর্তন তার দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ (নওয়াজ) পিএমএল(এন)-কে পুনরুজ্জীবিত করতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। ধারণ করা হচ্ছে, ভোটের আগে পাকিস্তানে ফিরে এসে দলের নেতৃত্ব নিজের হাতে তুলে নিতে পারেন নওয়াজ। কিন্তু সে ক্ষেত্রে তিনি বিমানবন্দরে নামার পরেই তার গ্রেপ্তারির আশঙ্কা ছিল। গত বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের একটি আদালত জানিয়েছেন, আগামী ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা যাবে না নওয়াজকে।
জানা যায়, দু’টি দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত হিসাবে নাম রয়েছে নওয়াজের। এর আগে নও়য়াজকে ১৪ বছরের জন্য কারাগারের সাজা দিয়েছিলেন আদালত। কিন্তু চিকিৎসার কারণে তিনি লন্ডনে স্বেচ্ছা নির্বাসনে চলে যান। তবে নওয়াজের বিরুদ্ধে মামলাগুলি চলবে বলে জানিয়েছে আদালত।
নওয়াজের আইনজীবী জানিয়েছেন, আইনি উপায়েই মামলাগুলি লড়বেন তার আইনজীবী। নওয়াজ আদৌ ভোটে লড়তে পারবেন কি না, তা নিয়েও সংশয় দেখা দিয়েছে। তবে তার দলের বক্তব্য, দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন নওয়াজই। পাকিস্তানের আর এক প্রধানমন্ত্রী তথা পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-এর নেতা ইমরান খানও জেলবন্দি। মনে করা হচ্ছে দুই দলের মধ্যেই এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে চলেছে।








