আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে নৌপথে যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে ছয় দফা নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে নৌকা ও স্পিডবোট থেকে সরাসরি লঞ্চে যাত্রী ওঠানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
সোমবার ১১ মে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঈদযাত্রার প্রস্তুতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, গত ঈদে নৌ দুর্ঘটনার পর তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে নৌ নিরাপত্তা জোরদারে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে সদরঘাট এলাকায় নৌকা ও স্পিডবোট থেকে সরাসরি লঞ্চে যাত্রী ওঠানো নিষিদ্ধ থাকবে। তবে নির্ধারিত টার্মিনাল পন্টুন ব্যবহার করে যাত্রীরা লঞ্চে উঠতে পারবেন।

ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ছয় দফা নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে-
১. ঈদুল আজহার আগে পাঁচ দিন এবং পরে পাঁচ দিন (২৩ মে থেকে ২ জুন ২০২৬) রাত-দিন বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।
২. রাতের বেলায় স্পিডবোট চলাচল নিষিদ্ধ থাকবে।
৩. ঢাকার সদরঘাটের পাশাপাশি মোহাম্মদপুরের বসিলা ঘাট এবং পূর্বাচল কাঞ্চন ব্রিজ সংলগ্ন শিমুলিয়া ঘাট থেকে লঞ্চ সার্ভিস পরিচালনা করা হবে।
৪. কুড়িল বিশ্বরোড থেকে শিমুলিয়া ঘাট পর্যন্ত বিআরটিসির শাটল বাস চালু থাকবে।
৫. ঈদের আগে তিন দিন ও পরে তিন দিন (২৫ থেকে ৩১ মে) সাধারণ ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান ফেরিতে পারাপার বন্ধ থাকবে; কোরবানির পশুবাহী ট্রাক অগ্রাধিকার পাবে।
৬. কোনো নৌযান নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি ভাড়া আদায় করতে পারবে না।
মন্ত্রী আরও বলেন, ফেরি পন্টুনের নিরাপত্তা বেষ্টনী উন্নয়ন, যাত্রীসেবা বাড়াতে ট্রলি ও হুইলচেয়ারের ব্যবস্থা এবং কোরবানির পশুবাহী নৌযান নির্বিঘ্নে চলাচলের জন্য বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী, সংশ্লিষ্ট সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।








