সিলেট থেকে: বাংলাদেশ ক্রিকেটের উদীয়মান তারা নাহিদ রানা। দেশের পেসারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গতিতে বল করে নজর কেড়েছেন। জাতীয় দলে দারুণ পারফর্মের পর বিপিএলে রংপুর রাইডার্সের হয়ে আলো ছড়াচ্ছেন। ৫ ম্যাচে ৯ উইকেট নিয়েছেন তরুণ পেসার। বেশি গতিতে বল করা পেসারদের বড় সমস্যা চোট। সেসব নিয়ে অবশ্য চিন্তা করছেন না ২২ বর্ষী নাহিদ। বললেন, ‘মানুষ যুদ্ধে নামলে গুলি খেতে হয়, ক্রিকেট খেললে চোটে পড়াটাও স্বাভাবিক।’
মঙ্গলবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ঢাকা ক্যাপিটালসকে ৭ উইকেটে হারায় রংপুর রাইডার্স। ২১ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন নাহিদ। পরে সংবাদ সম্মেলনে আসেন। ওয়ার্কলোড এবং চোটশঙ্কা নিয়ে প্রশ্ন যায় টাইগার পেসারের দিকে।
বললেন, ‘প্রথমে যেটা বললেন যে, চোট। ধরেন, মানুষ যুদ্ধে নামলে গুলি খেতে হয়। ক্রিকেট খেলতে আসলে চোটে পড়বো। আর যেটা মেইনটেইনের কথা বলছিলেন, ফিটনেস, এগুলো সব নিজে মেইনটেইন করছি। বিসিবি যেসব সিডিউল দিয়েছে, ওগুলো মেনে কাজ করার চেষ্টা করছি। সামনে যা হবে আলহামদুলিল্লাহ।’
লম্বা সময় ধরে টানা খেলে চলেছেন নাহিদ। একসময় জাতীয় দলের অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্ত্তজাও টানা খেলে চোটে পড়েছিলেন। টানা খেলাটা চোটশঙ্কা বাড়াবে কিনা সেই প্রশ্নও উঠছে। জানালেন ফিটনেস ঠিক আছে, বিসিবির নির্দেশনা মেনে খেলছেন।
‘দেখেন, শেষ ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছি ওয়েস্ট ইন্ডিজে। তারপরে গ্যাপ পেয়েছি খেলি নাই। বিসিবির একটা বিষয় ছিল যে, তোমাকে মেইনটেইন করবা এবং পরিকল্পনা দিয়েছে যে তুমি এইভাবে ফিটনেস করবা এবং ম্যাচ খেলবা। এখন পর্যন্ত বিসিবি বলছে যে আমার বোলিং ঠিক আছে এবং ফিল করছি যে শরীর ঠিক আছে। এমনভাবে কিছু আসে নাই বিসিবি থেকে।’
বিপিএল খেললেও জাতীয় দলের ফিজিওর সাথে যোগাযোগ রেখে চলেছেন নাহিদ। বললেন, ‘হ্যাঁ, অবশ্যই জাতীয় দলের ফিজিও বায়েজিদ ভাই আছেন ওনার সঙ্গে যোগাযোগ হয়। আমাদের রংপুর টিমে সজীব ভাই ফিজিও আছেন, ওনার সঙ্গে এসব নিয়ে কথা হয়। ওনার সঙ্গে অবশ্যই জাতীয় দলের ফিজিওর সাথে কথা হয়।’








