আইএল টি-টুয়েন্টিতে দুবাই ক্যাপিটালসে খেলছেন মোস্তাফিজুর রহমান। সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগটিতে অভিষেকও হয়ে গেছে। সেদিন প্রথম বলে উইকেট নিলেও জয়ের মুখ দেখা হয়নি। দ্বিতীয় ম্যাচে ২ উইকেট নিয়েছেন, সঙ্গে দল জিতেছে ৮৩ রানের বড় ব্যবধানে।
দুবাইয়ে আইএল টি-টুয়েন্টির সপ্তম ম্যাচে আবুধাবি নাইট রাইডার্স টসে জিতে মোস্তাফিজদের ক্যাপিটালসকে ব্যাটে পাঠায়। নির্ধারিত ২০ ওভারে জর্ডান কক্সের ৫২ ও রোভম্যান পাওয়েলের অপরাজিত ৯৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৮৪ সংগ্রহ গড়ে ক্যাপিটালস। রানতাড়ায় নেমে আবুধাবি ২৭ বল হাতে রেখে ১০৩ রানে গুটিয়ে যায়।
বড় লক্ষ্যে নামা আবুধাবির ওপেনার ফিল সল্টকে পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে সাজঘরে পাঠান মোস্তাফিজ। এর আগেই ৩ উইকেট হারিয়ে বসেছিল দলটি। চারে নামা উন্মুক্ত চান্দকে গোল্ডেন ডাকে ফেরান টাইগার বাঁহাতি পেসার। ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারে চান্দের উইকেটি ছিল ফিজের প্রথম শিকার।
আবুধাবির হয়ে সর্বোচ্চ ২৭ রানের ইনিংস খেলে মোস্তাফিজের বলে ধরা পড়েন সল্ট। বাকি ব্যাটাররা ছিলেন আসা-যাওয়ার পথে। আর কোন ব্যাটার থেকে আসেনি ২০ রানের ইনিংসও। লিয়াম লিভিংস্টোন ১৬, শেরফান রাদারফোর্ড ১৯, আন্দ্রে রাসেন ১২ ও সুনীল নারিন আউট হন ৩ রানে।
দুবাই ক্যাপিটালসের হয়ে মোস্তাফিজের মতো ২টি করে উইকেট নেন ডেভিড উইলি ও মোহাম্মদ নবী। ওয়াকার সালামখেইল নেন সবচেয়ে বেশি ৪ উইকেট।
আগে দুবাইয়ের দুই ওপেনার ব্যর্থ হন। টবি আলবার্ট ও সেদিকউল্লাহ অটল সমান ৮ রান করে আনেন। তিনে নামা শায়ান জাহাঙ্গির ১৪ রানে সাজঘরে ফেরেন। চতুর্থ উইকেটে ১১৯ রানের বড় জুটি গড়েন কক্স ও পাওয়েল।
পাওয়েলের ৫২ বলে খেলা অপরাজিত ৯৬ রানের ইনিংসটি ৮ চার ও ৪ ছক্কায় সাজানো। কক্স খেলেন ৪ ছক্কা ও এক চারে ৩৬ বলে ৫২ রানের ইনিংস।
দুবাই তৃতীয় ম্যাচে জয়ের দেখা পেয়েছে। তিন ম্যাচে এক জয় নিয়ে টেবিলে তিনে আছে। আসরের প্রথম ম্যাচে খেলেননি ফিজ। শেষ দুই ম্যাচে ২টি করে ৪ উইকেট নিয়েছেন তিনি।







