রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে টেস্টে দারুণ করছে বাংলাদেশ। সাদমান ইসলাম, মুমিনুল হক ও লিটন দাসের পর নির্ভার মুশফিকুর রহিম ও মেহেদী হাসান মিরাজ। দেড়শ পেরিয়ে চতুর্থ ডাবল সেঞ্চুরির পথে হাঁটছেন মুশফিক, ফিফটি করেছেন মিরাজও। দুই ব্যাটারের দৃঢ়তায় ৫০০ রান পেরিয়ে ছুটেছে টিম টাইগার্স।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ৫০৩ রান তুলেছে বাংলাদেশ। ক্রিজে আছেন ৩১৯ বলে ১৭৯ রান করা মুশফিক এবং ১৩১ বলে ৫২ রান করা মিরাজ। তাদের অবিচ্ছিন্ন ১৫৮ রানের জুটিতে ৫৩ রানে এগিয়ে আছে টিম টাইগার্স।
রাওয়ালপিন্ডির ২২ গজে চতুর্থ দিনে সকাল থেকেই দারুণ ব্যাটিং করেন মুশফিক। লিটন দাসও লড়ছিলেন দারুণ। ১১৪ রানে জুটি ভাঙে লিটন ৫৬ করে ফিরলে। নাসিম শাহর বলে আউট হন বাংলাদেশের ক্ল্যাসিক ব্যাটার।
৯ মাস পর টেস্ট খেলতে নামা মুশফিক রহিম চতুর্থ দিনের লাঞ্চ বিরতির আগেই শতরান পূর্ণ করেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে এটি ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি মুশফিকের। একাদশতম সেঞ্চুরি করে টপকেছেন তামিম ইকবালকে (১০)। মুশির সামনে আছেন কেবল মুমিনুল হক (১২ সেঞ্চুরি)।
১৪১.২ ওভারে দেড়শ রান স্পর্শ করেন মুশফিক। ২৮৬ বলে ১৫০ পূর্ণ করেন টাইগার তারকা ব্যাটার। ১৪৫.১ ওভারে ফিফটি পূর্ণ করেন মিরাজ। ১২০ বলে ফিফটি ছোঁয়া ইনিংসে ছিল তিনটি চারের মার।
প্রথম সেশনে লিটন দাসের উইকেট হারালেও দ্বিতীয় সেশনে পাকিস্তানের বোলাররা আর কোনো উইকেট নিতে পারেননি। দ্বিতীয় সেশনে বাংলাদেশ যোগ করেছে আরও ১০৬ রান।
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথমটিতে বুধবার টসে জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটের আমন্ত্রণ জানান বাংলাদেশ অধিনায়ক শান্ত। ম্যাচের দ্বিতীয় দিন, বৃহস্পতিবার ৬ উইকেটে ৪৪৮ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে স্বাগতিক দল। ডাবল সেঞ্চুরি থেকে ২৯ রান দূরে ছিলেন রিজওয়ান (১৭১*)। তার ব্যক্তিগত মাইলফলকের জন্য অপেক্ষা করেননি শান মাসুদ। সেঞ্চুরি করেছেন সৌদ শাকিলও (১৪১)। দ্বিতীয় দিনের শেষবেলায় কোনো উইকেট না হারিয়ে ২৭ রান সংগ্রহ করেছিল বাংলাদেশ।
সাদমান-মুমিনুল-মুশফিক-লিটনের ফিফটিতে তৃতীয় দিন নিজেদের করে নেয় বাংলাদেশ। তৃতীয় দিন শেষে ৯২ ওভারে ৫ উইকেটে ৩১৬ রান তোলে বাংলাদেশ। ১৩২ রানে পিছিয়ে থেকে চতুর্থ দিন শুরু করে শান্তবাহিনী।







