নিউজিল্যান্ডের মাটিতে প্রথমবার একটি করে ওয়ানডে ও টি-টুয়েন্টি জিতেছে বাংলাদেশ। টাইগারদের সামনে সুযোগ ছিল টি-টুয়েন্টি সিরিজ জয়েরও। শেষ ম্যাচে ১১০ রানের অল্প পুঁজি নিয়েও কিউইদের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। দুর্দান্ত বোলিং করেছেন শরীফুল-মেহেদীরা, তবে হারার পর অধিনায়কের কাঠগড়ায় সৌম্য-রনিরা তথা ব্যাটারবাহিনী।
মাউন্ট মঙ্গানুইতে রোববার টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে টিম টাইগার্স নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ১৯.৪ ওভারে ১১০ রানে অলআউট হয়। জবাবে কিউইরা ১৪.৪ ওভারে ৫ উইকেটে ৯৫ রান তোলার পর বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ হয়ে যায়। জয়ের জন্য ওই সময় নিউজিল্যান্ডের কমপক্ষে ৭৮ রান দরকার ছিল। পরে বল আর মাঠে না গড়ানোয় বৃষ্টি আইনে হার নিয়ে মাঠ ছাড়ে শান্তবাহিনী।
কিউইরা ডিএলএস আইনে ১৭ রানে জিতলেও প্রশংসিত হয়েছে বাংলাদেশের বোলারদের পারফরম্যান্স। ম্যাচ শেষে পুরস্কার মঞ্চে এসে শান্ত বলেছেন, ‘আমাদের বোলাররা দারুণ করেছে, কিন্তু ব্যাটাররা আজ রান পায়নি। সব বোলারই খুব ভালো বোলিং করেছে। টি-টুয়েন্টিতে শুরুটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
তিন ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজে প্রথমটিতে জয় তুলেছিল বাংলাদেশ। বৃষ্টিতে দ্বিতীয়টি ভেসে যায়। তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে হেরে ১-১ সমতায় সিরিজ শেষ করেছে টিম টাইগার্স। সিরিজের প্রথম ম্যাচে একপ্রান্ত আগলে রেখে ৪২ রানের অপরাজিত ইনিংসে জিতিয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন লিটন দাস। ওই ইনিংস খেলার পথে হ্যামস্ট্রিংয়ে টান লাগলে পরের দুই ম্যাচে একাদশের বাইরে থাকতে হয় তাকে।
লিটনের অনুপস্থিতিতে ইনিংস সূচনার দায়িত্ব পেয়ে ব্যর্থ হন সৌম্য সরকার। আরও একবার হতাশ করেন রনি তালুকদার। হৃদয়, আফিফরাও নিতে পারেননি দায়িত্ব। বাংলাদেশের ইনিংসে শান্তর ১৭ রান সর্বোচ্চ।
ম্যাচ হেরে এটিকে বড় করে দেখছেন ২৫ বর্ষী বাঁহাতি ব্যাটার। শান্ত বলেছেন, ‘আমাদের ব্যাটসম্যানরা আজ শুরু পেয়েছে, ১৫-১৭ রান করেছে। কিন্তু তারা কেউ ম্যাচটাকে গভীরে নিতে পারেনি। এই ভুলটা আজ আমরা করেছি।’







