বিশ্বকাপের বাকি ১৬ দিন, এসময়ে ক্লাবের ম্যাচে হ্যামস্ট্রিংয়ে টান নিয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন লিওনেল মেসি। পর্যবেক্ষণের আগে আলোচনায় ছিল বিশ্বকাপে খেলতে পারবেন কিনা আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে স্বস্তির কথাই জানাল মেসির ক্লাব ইন্টার মিয়ামি।
মেসিকে ঘিরে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার পর ক্লাব থেকে ইতিবাচক খবরই এসেছে। ফিলাডেলফিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে অস্বস্তি বোধ করার পর আর্জেন্টাইন অধিনায়কের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে সর্বশেষ তথ্যে সোমবার রাতে ইন্টার মিয়ামি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করেছে।
মিয়ামি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, ‘মেসি কেবল তার বাম হ্যামস্ট্রিংয়ে ক্লান্তিজনিত পেশীর অতিরিক্ত চাপের সমস্যায় ভুগছেন। তার কোন বড় ধরনের চোট বা পেশি ছিঁড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেনি। আসন্ন টুর্নামেন্টের জন্য তিনি পুরোপুরি ফিট থাকবেন। তবে আগামী কিছুদিন মেসির শারীরিক কার্যকলাপে ফেরাটা তার শারীরিক অবস্থার উন্নতির উপর নির্ভর করবে।’ অতিরিক্ত মেডিকেল পরীক্ষার পর ক্লাবটি গুরুতর পেশীর আঘাতের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছে।
বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে মহাতারকাকে হারানোর শঙ্কায় থাকা আর্জেন্টিনার কোচিং স্টাফের জন্য খবরটি বিরাট স্বস্তি নিয়ে এসেছে।
এরআগে, আর্জেন্টিনার সংবাদ মাধ্যমের বরাত দিয়ে ইতালিয়ান ক্রীড়া সাংবাদিক ফ্যাব্রিজিও রোমানো রোববার রাতে জানিয়েছিলেন, ‘বিশ্বকাপের আগে প্রীতি ম্যাচগুলোতে লিওনেল মেসির অংশগ্রহণ নিয়ে কোন ঝুঁকি নেই। ডাক্তারি পরীক্ষায় কোন চোট পাওয়া যায়নি।’
ঘটনার সূত্রপাত, রোববার মিয়ামির মাঠ নু স্টেডিয়ামে ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের বিপক্ষে লুইস সুয়ারেজের হ্যাটট্রিকে ইন্টার মিয়ামি ৬-৪ গোলে জয় পাওয়ার দিনে। দ্বিতীয়ার্ধে একটি ফ্রি কিক নেয়ার সময় বাম ঊরুতে অস্বস্তি বোধ করেন মেসি। ৭৩ মিনিটে মাঠ ছাড়ার জন্য বদলি চান, তাকে বসিয়ে মাতেও সিলভেত্তিকে নামানো হয়। যদিও মাঠ ছাড়ার সময় পথে মেসির কোন অতিরিক্ত সাহায্যের প্রয়োজন হয়নি।








