বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচ হারের পর চোটের কারণে শ্রীলঙ্কার নিয়মিত অধিনায়ক দাসুন শানাকাকেও হারায় দল। এরপর দলের হাল ধরেন কুশল মেন্ডিস। তবে পরিবর্তন হয়নি লঙ্কানদের ভাগ্য। হতশ্রী পারফরম্যান্সে দলটি বিশ্বকাপ অভিযান শেষ করলেও অধিনায়কত্ব বেশ উপভোগ করেছেন মেন্ডিস।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপে নিজেদের শেষ ম্যাচে হারার পর মেন্ডিস বলেছেন, ‘প্রথম দশ ওভারে আমরা তিন-চার উইকেট হারিয়েছিলাম। তাতেই আমরা অনেকটা পিছিয়ে পড়ি এবং ব্যাট হাতে তখন লড়াই করতে হয়েছে। মাঝের ওভারগুলোতে যদি বড় কোনো জুটি হতো, তাহলে এই উইকেটে আমরা তিনশর বেশি রান করতে পারতাম। দিলশান মাদুশঙ্কা ভালো বোলিং করেছে। যেহেতু তারা ছোট লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমেছে, তাই আমাদের বোলারদের জন্য কাজটি বেশ কঠিন ছিল। ’
বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার কিউইরা টসে জিতে লঙ্কানদের আগে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায়। ট্রেন্ট বোল্ট ও লোকি ফার্গুসনদের দুর্দান্ত বোলিংয়ের সামনে ৪৬.৪ ওভারে ১৭১ রানে গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। জবাবে ২৩.২ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে নিউজিল্যান্ড জয়ের বন্দরে নোঙর করে।
বিশ্বকাপে শুরুতে অবশ্য দারুণ ছন্দে ছিলেন উইকেটরক্ষক ব্যাটার মেন্ডিস। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ৭৬ রানের একটি ইনিংসের পর পাকিস্তানের বিপক্ষে ১২২ রান আসে তার ব্যাট থেকে। এরপর আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৩৯ রানের ইনিংসটি বাদ দিলে আর কোনো ম্যাচেই জ্বলে উঠতে পারেননি ২৮ বর্ষী ক্রিকেটার।
নিজের পারফরম্যান্সে হতাশ হলেও অধিনায়কের দায়িত্ব উপভোগ করা মেন্ডিস বলেছেন, ‘বিশ্বকাপে প্রথম দুই ম্যাচের পর আমি অধিনায়কত্ব পেয়েছি। বেশ উপভোগ করেছি। যদিও নিজের পারফরম্যান্সে হতাশ, কিন্তু অধিনায়কত্ব বেশ উপভোগ করেছি। দলের দুজন তরুণ খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্স দেখে খুব খুশি হয়েছি, তারাই আমাদের ভবিষ্যৎ।’







