ক্যারিবীয় দ্বীপে তিন ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশ করে এসেছে বাংলাদেশ। অনন্য অর্জনে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন বোলাররা। ব্যাটে জাকের আলী অনিক ঝলক দেখিয়েছেন। ফলও পেলেন। শেখ মেহেদী-তাসকিন আহমেদ ও জাকেরসহ ৬ টাইগার পৌঁছেছেন ক্যারিয়ারসেরা র্যাঙ্কিংয়ে।
বুধবার র্যাঙ্কিং হালনাগাদ প্রকাশ করেছে আইসিসি। টি-টুয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি করেছেন টাইগার ক্রিকেটাররা।
সংক্ষিপ্ত সংস্করণের সিরিজে বল হাতে দাপট দেখিয়েছেন শেখ মেহেদী হাসান। ১১ ওভার বল করে ৪৬ রান খরচায় সর্বোচ্চ ৮ উইকেট নেন। ক্যারিয়ারসেরা র্যাঙ্কিংয়ে পৌঁছে গেছেন এ অফস্পিনার। ১৩ ধাপ এগিয়ে সেরা দশে পৌঁছেছেন মেহেদী। ৬৩৬ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে উঠেছেন ১০ নম্বরে। ব্যাট হাতে তিনি ৩৭ রান করেন। প্রথম ম্যাচে অপরাজিত ২৬ রানের ইনিংস খেলেন। অলরাউন্ডারদের র্যাঙ্কিংয়েও উন্নতি হয়েছে তাতে, ১০ ধাপ এগিয়ে ৯৪ পয়েন্ট নিয়ে ৩০ নম্বরে এসেছেন।
সিরিজে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭ উইকেট শিকার করেন তাসকিন আহমেদ। ১১.১ ওভার বল করে খরচ করেন ৭৪ রান। দারুণ পারফর্ম করে ৭ ধাপ এগিয়ে টাইগার পেসারও ক্যারিয়ারসেরা র্যাঙ্কিংয়ে পৌঁছেছেন। ৬৩০ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে অবস্থান করছেন ১১ নম্বরে।
একই পথ অনুসরণ করেছেন রিশাদ হোসেন। ক্যারিবীয় দ্বীপে তৃতীয় সর্বোচ্চ ৬ উইকেট শিকার করেছেন। ২১ ধাপ এগিয়ে ৬২১ পয়েন্ট নিয়ে ১৭ নম্বরে এসেছেন। অলরাউন্ডারদের র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি করেছেন ১২ ধাপ। ৮৮ পয়েন্ট নিয়ে ৩৬ নম্বরে এসেছেন টাইগার লেগ স্পিন অলরাউন্ডার।
হাসান মাহমুদ এবং তানজিম হাসান সাকিবও ক্যারিয়ারসেরা র্যাঙ্কিংয়ে পৌঁছেছেন। দুজনই ৪টি করে উইকেট নেন। হাসান ২৩ ধাপ এগিয়ে ৫৯৭ পয়েন্ট নিয়ে ২৪ নম্বরে এসেছেন। তানজিম ১৬ ধাপ এগিয়ে ৫১৭ পয়েন্ট নিয়ে ৪৫ নম্বরে এসেছেন।
ওয়েস্ট ইন্ডিজে ব্যাট হাতে বাংলাদেশ খুব একটা আলো ছড়াতে পারেননি। ভিন্ন ছিলেন জাকের আলী অনিক। সিরিজে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন। ১৩৬-এর বেশি স্ট্রাইকরেটে ১২০ রান করেন।








