শুক্রবার ‘পায়ের ছাপ’ মুক্তির মাধ্যমে দেশের ছবিতে অভিষেক হলো মেঘলা মুক্তার। যিনি এর আগে তেলুগু ছবিতে অভিনয় করে আলোচনায় আসেন।
এদিন সকাল থেকে মা’কে সঙ্গে নিয়ে ঢাকার বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে ছুটতে দেখা গেছে মেঘলাকে। দর্শকদের সঙ্গে বসে ছবি উপভোগ করেছেন। দর্শকের কাছে গিয়ে জানার চেষ্টা করছেন, কেমন লেগেছে ছবি!
সকাল ১০টা ৫০ মিনিটের শোতে স্টার সিনেপ্লেক্সে হাজির ছিলেন মেঘলা মুক্তা। সঙ্গে ছিল ‘পায়ের ছাপ’র পরিচালক সাইফুল ইসলাম মাননু, অভিনেতা প্রাণ রায়, আদিলসহ অনেকে। ফার্স্ট ডে ফার্স্ট শো দর্শকের সঙ্গে বসে পুরো ছবি উপভোগ করেন তারা। পরে দুপুরের শোতে যান মিরপুরের সনি হলে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বেশিরভাগই ফ্যামিলি অডিয়ান্স দেখছে ‘পায়ের ছাপ’। স্টার সিনেপ্লেক্সের কয়েকজন দর্শকদের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, নারীর ক্ষমতায়নের চমৎকার উদাহরণ হচ্ছে ‘পায়ের ছাপ’। কেউ কেউ বলছেন, এই ধরনের ছবি দেশের লাখো সাধারণ নারীর জীবনের প্রতিচ্ছবি।
মেঘলা মুক্তা বলেন, যারা এই ছবি দেখছেন ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছেন। হলের মধ্যে দেখেছি স্ক্রিনে আমি কাঁদলে দর্শক কেঁদেছে, আমার চরিত্রটির মায়ায় জড়িয়েছে। দেশের ছবি দিয়ে যেহেতু আমার যাত্রাটা শুরু হলো, এই যাত্রা অব্যাহত রাখতে চাই। আরও ভালো ভালো কাজ করে সামনে যেতে চাই।

২০১৯ সালে তেলুগু ছবি ‘সাকালা কালা ভাল্লাভুডু’-তে অভিনয় করেছিলেন মেঘলা। তবে তার অতৃপ্তি ছিল, কারণ দেশের ছবি তার অভিষেক হয়নি।
তিনি বলেন, ইমপ্রেসের মাধ্যমে পায়ের ছাপ-এর মতো ভালো ছবিতে কাজ করতে পেরেছি, এই ছবিটা আজ থেকে মানুষ দেখছে, প্রশংসা করছে এটাই আমার সংগ্রাম। দক্ষিণী ছবিতে কাজ করলেও বারবার চাইতাম কবে দেশে কাজ করবো। সেই ভয় কাটিয়ে ‘পায়ের ছাপ’ দর্শক গ্রহণ করেছে। পায়ের ছাপের যে মায়া চরিত্র করেছি এই চরিত্রের মতো বাস্তবেও কাজের জন্য মন খারাপ হয়েছিল, স্বপ্ন ভেঙেছিল। কিন্তু আমি হাল না ছেড়ে এগিয়েছি।
যেসব প্রেক্ষাগ্রহে চলছে ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ব্যানারে নির্মিত ফরিদুর রেজা সাগর প্রযোজিত ‘পায়ের ছাপ’:
স্টার সিনেপ্লেক্স (বসুন্ধরা সিটি), সনি স্কয়ার (মিরপুর), ব্লকবাষ্টার সিনেমাস (যমুনা ফিউচার পার্ক), শ্যামলী সিনেমা হল, লায়ন সিনেমাস কেরানীগঞ্জ), সিনেস্কোপ (নারায়ণগঞ্জ), সিলভার স্ক্রিন (চট্টগ্রাম) চন্দ্রিমা (শ্রীপুর), ছায়াবানী (ময়মনসিংহ), মধুবন (বগুড়া), শংখ (খুলনা), চিত্রালী (খুলনা)।







