জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও বিশিষ্ট কলাম লেখক বিভুরঞ্জন সরকারের নিখোঁজের একদিন পর মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ার চরবলাকী এলাকার মেঘনা নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় কান্নাজড়িত কণ্ঠে ছোট ভাই চিররঞ্জন সরকার বলেন—’এমন পরিণতি যেন আর কারও না হয়।’
শুক্রবার (২২ আগস্ট) রাতে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে বিভুরঞ্জন সরকারের ছোট ভাই চিররঞ্জন সরকার ও ছেলে ঋত সরকার মরদেহ শনাক্ত করেন। এর আগে বিকেল ৩টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানাধীন কলাগাছিয়া নৌ ফাঁড়ির পুলিশ।
রাতেই মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গের সামনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে চিররঞ্জন সরকার সাংবাদিকদের বলেন, আমার ভাইয়ের এমন পরিণতি কিভাবে ঘটলো—আত্মহত্যা, নাকি খুন, নাকি পরিকল্পিত কিছু—আমরা কিছুই জানি না। শুধু বলবো, এমন পরিণতি যেন আর কারও না হয়।
তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সকালে বিভুরঞ্জন সরকার রাজধানীর বনশ্রীর ‘আজকের পত্রিকা’ কার্যালয়ের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হন। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। ওইদিন রাতেই পরিবারের পক্ষ থেকে রাজধানীর রমনা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। বিভুরঞ্জনের মোবাইল ফোনটি বাসাতেই পাওয়া যায়।
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের ছেলে ঋত সরকার বলেন, বিকেল ৪টার দিকে রমনা থানা থেকে ফোন করে জানায় মুন্সিগঞ্জে মেঘনা নদীতে একটি মরদেহ পাওয়া গেছে। পরে এখানে এসে দেখি, এটা আমার বাবার মরদেহ।
কলাগাছিয়া নৌ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. সালেহ আহমেদ পাঠান জানান, দুপুর ২টার দিকে খবর পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলে যান এবং বিকেল ৩টার দিকে নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করেন। উদ্ধারের সময় মরদেহটি উপুড় হয়ে ছিল এবং শরীরে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মরদেহটির গলায় চশমা ঝুলছিল।







