আওয়ামী লীগ ঘোষিত ১৩ নভেম্বরের ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচিতে যেকোন ধরনের বিশৃঙ্খলা ও নাশকতা ঠেকাতে আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছেন ডিবি প্রধান শফিকুল ইসলাম।
বুধবার (১২ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা জানান।
ডিবি প্রধান বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের লকডাউনের নামে অরাজকতা ও নাশকতা ঠেকাতে পোশাকে ও সাদা পোশাকে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাজধানীতে মাঠে নামছে ১৮ হাজারেরও বেশি পুলিশ ও গোয়েন্দা। বাড়ানো হয়েছে টহল ও নজরদারি। যেকোনো অবাঞ্ছিত পরিস্থিতি মোকাবেলায় আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে প্রস্তুত রাখা হয়েছে বিশেষ বাহিনী সোয়াটকে।
তিনি আরও জানান, ১৩ই নভেম্বরকে ঘিরে সর্বোচ্চ সতর্কতায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতা বিরোধী অপরাধের মামলার রায়ের তারিখ ঘোষণার দিনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ডাকা লকডাউনের নামে যেকোনো ধরনের অরাজকতা-নাশকতা ঠেকাতে চায় পুলিশ।
তিনি জানান, দেশের সব বিমান ও স্থলবন্দরকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগরীতে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের দেখা মাত্রই পুলিশকে ব্রাশফায়ারের নির্দেশ দিয়েছে কমিশনার হাসিব আজিজ।
এদিকে গাজীপুরের বাসন, কাশিমপুর, শ্রীপুর ও আশুলিয়ায় বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে গ্রামীণ ব্যাংকে পেট্রল ঢেলে আগুন দেওয়া হয়েছে। এতে আসবাবসহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র পুড়ে গেছে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র মুহম্মদ তালেবুর রহমান জানান, রাজধানীর কোন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা হতে পারে, এমন আশঙ্কায় নজরদারি করছে গোয়েন্দারা।
তিনি আরও জানান, সকাল থেকেই রাজধানীর রাস্তায় রাস্তায় টহলে নামবে পুলিশের আরমার্ড পার্সনেল ক্যারিয়ার। বিশেষ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে স্পেশাল উইপন অ্যান্ড ট্যাক্টিস সোয়াট।







