প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপির চরিত্র কখনো বদলাবে না। জনগণের কল্যাণের কথা এরা চিন্তা করে না। নিজেদেরটাই শুধু ভালো বোঝে। বিএনপি যখন ক্ষমতায় এসেছে, অর্থসম্পদ বানানো, বিদেশে পাচার করা, এতিমের অর্থ আত্মসাৎ এগুলোই করেছে। আর তাদের কাছ থেকে এখন বড় বড় কথা শুনতে হয়। এটাই বাংলাদেশের দুর্ভাগ্য। অগ্নিসন্ত্রাসীদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, লন্ডন বসে হুকুম দেয়, আর এখানে আগুন দেয়। এই আগুনের খেলা ভালো না। বাংলাদেশের মানুষকে আহ্বান জানাই, যারা আগুন দেয় তাদের প্রতিহত করুন।
তিনি আজ রোববার ১৭ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন।
বিএনপির সঙ্গে সংলাপের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যখন ডায়ালগের জন্য ফোন করলাম, যে ধরনের আচরণ করলো তাতে আমি অবাক হলাম। এরপরেও নির্বাচন হয়ে গেল। ২০১৮ সালে আবার যখন আহ্বান করলাম, সব দলই কথা বলল, শুধু বিএনপি ছাড়া। কিন্তু তারা নির্বাচনে আসে।
তিনি বলেন, নির্বাচন তারা করবে কীভাবে। কারণ তারা নমিনেশন দেয়, একটা আসে লন্ডন থেকে, একটা আসে পল্টন থেকে, আরেকটা আসে গুলশান থেকে। যখন লন্ডনেরটা আসে, তখন পল্টনেরটা চলে যায়, যখন পল্টনেরটা আসে তখন গুলশানেরটা যায়। এই করে সকালে একটা নির্বাচন দেয়, বিকেলে একটা নির্বাচন দেয়। শেষকালে পল্টনও গেল, লন্ডনও গেল, গুলশানও গেল।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের যারা পার্লামেন্টে সদস্য ছিল, আমরা তাদের সবরকম সুযোগ দিতাম কথা বলার। কারণ আমরা যখন বিরোধী দলে ছিলাম, তখন আমাদের কথা বলতে দেওয়া হতো না। এমনকি ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ দেয়নি। আমি বিরোধী দলের নেতা হয়েও কোনোদিন মাইকই পেতাম না।
তিনি বলেন, জনগণের ভোট ও ভাতের অধিকার আন্দোলন সংগ্রাম করে আমরা প্রতিষ্ঠা করেছি। আজকে নির্বাচনী সংস্কার আমরা করেছি। আজকের জনগণের ভোটের অধিকার জনগণের হাতে ফিরিয়ে দিয়েছি। জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে কাকে তারা নির্বাচিত করবে। কে সরকারে আসবে। অগ্নিসন্ত্রাস-খুন করে জনগণের হৃদয় জয় করা যায় না। এটা তাদের জানা উচিত।








