রাওয়ালপিন্ডিতে প্রথম টেস্ট জয়ের পর দ্বিতীয় ম্যাচে প্রথম ইনিংসে চাপে পড়েছিল বাংলাদেশ। ২৬ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর ধ্বংসস্তূপ থেকে টেনে তোলেন লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। সেঞ্চুরি করেছেন লিটন, মিরাজ পেয়েছেন ফিফটি। ম্যাচে ৫ উইকেটও নিয়েছেন মিরাজ। অনবদ্য পারফরম্যান্সের পুরস্কার পেয়েছেন দুজনে। ম্যাচসেরা হয়েছেন লিটন, সিরিজসেরা মিরাজ।
প্রথম ইনিংসে পাকিস্তানকে ২৭৪ রানে থামায় বাংলাদেশ। নিজেদের প্রথম ইনিংসে নেমে ২৬ রানে ৬ ব্যাটারকে হারায় টিম টাইগার্স। সপ্তম উইকেটে হাল ধরেন লিটন ও মিরাজ। ১৬৫ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে আড়াইশতাধিক রানের ভিত গড়ে দেন।
স্বাগতিকদের দ্বিতীয় ইনিংসে পাঠিয়ে হাসান মাহমুদ ও নাহিদ রানার বোলিং তোপে ১৭২ রানে আটকায় লাল-সবুজের দল। ১৮৫ রানের লক্ষ্যে নেমে ৬ উইকেটে জিতে পাকিস্তানকে প্রথমবার হোয়াইটওয়াশ করার গৌরব অর্জন করেছে বাংলাদেশ।
ধ্বংসস্তূপ থেকে দলকে টেনে নেয়া ইনিংসে লিটন ১৩৮ রান করেন। ২২৮ বলের ইনিংসটিতে ছিল ১৩টি চার ও ৪টি ছক্কার মার। অনবদ্য সেঞ্চুরিতে ম্যাচসেরার পুরস্কার গেছে টাইগার উইকেটরক্ষক-ব্যাটারের হাতে। জানিয়েছেন নিজের উপর বিশ্বাস রাখলেই এমন পারফর্ম করা সম্ভব।
পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে লিটন বলেছেন, ‘শুধু নিজের উপর বিশ্বাস রাখুন। সেই সেশনে পাকিস্তান সত্যিই ভালো বোলিং করেছিল। আমি এবং মিরাজ আলোচনা করেছিলাম, আমাদের লম্বা সময় ব্যাটিং করা উচিত এবং তাদের মোমেন্টাম থেকে বের করা উচিত। এর পরে, মিরাজ কয়েকটি বাউন্ডারি মারল, আর মোমেন্টাম বদলে গেল। লাঞ্চের পরে এটি আরও সহজ হয়ে যায়।’
লিটনকে সঙ্গ দেয়া মিরাজ ৭৮ রান করে আউট হয়ে যান। ১২৪ বলের ইনিংসটিতে ছিল ১২টি চার ও ১টি ছক্কার মার। সিরিজজুড়েই দারুণ করেছেন মিরাজ। দুই টেস্ট মিলিয়ে ১০ উইকেট ও দুই ফিফটিতে ১৫৫ রান করে টাইগার অলরাউন্ডার হয়েছেন সিরিজসেরা।
বলেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। প্রথমত, আমি আল্লাহকে ধন্যবাদ জানাতে চাই, এবং তিনি আমাকে একটি ভালো সুযোগ দিয়েছেন, এবং আলহামদুলিল্লাহ, আমি সত্যিই খুশি।’








