গণজাগরণের মধ্য দিয়ে যে নতুন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে, সে গণজাগরণে সাংবাদিকদেরও ‘অংশীজন’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ।
মঙ্গলবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের দেওয়া ফুলেল শুভেচ্ছা নিয়ে এই মন্তব্য করেন বিচার বিভাগের প্রধান।
এসময় প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘গণজাগরণের মধ্য দিয়ে যে নতুন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে, সে গণজাগরণে দেশের সাংবাদিকরাও অংশীজন। সাংবাদিকদের অবদান কোনোভাবেই অস্বীকার করার মত নয়। সাংবাদিকরা রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। সাংবাদিকদের মাধ্যমেই আমরা খবরা খবর জেনে থাকি। ফলে পেশাদারিত্ব বজায় রেখে সর্বোচ্চ মানের সাংবাদিকতা আমরা তাদের কাছে প্রত্যাশা করি। সর্বোচ্চ আদালত অঙ্গনের সাংবাদিকদের কাছে সে প্রত্যাশা আরও বেশি।’
সুপ্রিম কোর্ট অঙ্গনের সাংবাদিকদের পেশাগত সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে শুভকামনা জানান প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন চ্যানেল টুয়েন্টিফোরের সিনিয়র রিপোর্টার মাসউদুর রহমান রানা, ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের স্টাফ রিপোর্টার গোলাম রাব্বানী, ঢাকা পোস্টের সিনিয়র রিপোর্টার মেহেদী হাসান ডালিম, বাংলা ট্রিবিউনে রিপোর্টার বাহাউদ্দীন আল ইমরান, কালের কণ্ঠের নিজস্ব প্রতিবেদক মেহেদী হাসান পিয়াস, ইত্তেফাকের প্রতিবেদক মো. দিদারুল আলম। একুশে টেলিভিশনের শাকেরা আরজু শিমু, চ্যানেল আই অনলাইনের এস এম আশিকুজ্জামান, যমুনা টেলিভিশনের শেখ মহিউদ্দিন মধু, এনটিভির তামজিদুল ইসলাম তামজিদ, আরটিভি’র অধরা ইয়াসমিন, বনিক বার্তার আনীকা মাহজাবিন ও নাগরিক টেলিভিশনের অলিউল ইসলাম রনি।








