মেশিন লার্নিং প্রযুক্তির সাহায্যে অর্টিফিসিয়াল নিউরন নেটওয়ার্ক ডিজাইন করে চলতি বছর অর্থ্যাৎ ২০২৪ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছেন মার্কিন বিজ্ঞানী জন হোপফিল্ড এবং কানাডায়িন বিজ্ঞানী জিওফ্রে হিন্টন।
আজ ৮ অক্টোবর মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় বেলা ৩টা ৪৫ মিনিটে রয়েল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্স পদার্থবিজ্ঞানে বিশেষ অবদানের জন্য যৌথভাবে জন হোপফিল্ড এবং জিওফ্রে হিন্টন এর নাম ঘোষণা করে।
নোবেল কমিটি জানিয়েছে, জন হোপফিল্ড ও জিওফ্রে হিন্টনকে কৃত্রিম নিউরাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মেশিন লার্নিং সম্ভবপর করে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার ও উদ্ভাবনের জন্য এ পুরস্কার দেওয়া হয়। তাদের গবেষণা মেশিন লার্নিং ও আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স (এআই) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। হপফিল্ড এমন একটি গঠন বানিয়েছেন যা তথ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি আবার তা পুনর্গঠন করতে পারে। আর হিন্টন এমন একটি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন যা স্বাধীনভাবে তথ্যের মধ্যকার বৈশিষ্ট্য খুঁজে বের করতে পারে। বর্তমানে ব্যবহৃত নিউরাল নেটওয়ার্কগুলোর পেছনে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
জন হোপফিল্ড ১৯৩৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫৮ সালে কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয় থেক পিএইচডি অর্জন করেন। তিনি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। কানাডার টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জিওফ্রে হিন্টনের ১৯৪৭ সালে লন্ডনে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অফ এডিনবার্গ থেকে ১৯৭৮ সালে পিএইচডি অর্জন করেন।
প্রতিবছর অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার থেকে নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা শুরু হয়। এবছর নোবেল জয়ীদের নাম ঘোষণার প্রথম দিনেই চিকিৎসাশাস্ত্রে পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। গত বছর পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন মার্কিন বিজ্ঞানী পিয়েরে অগাস্তিনি, হাঙ্গেরিয়ান বিজ্ঞানী ফ্রেঙ্ক ক্রাউজ ও ফরাসি বিজ্ঞানী অ্যান লুইলিয়ে। ইলেকট্রনের আলোক শোষণের ঘটনাকে অ্যাটোসেকেন্ড স্কেলে পরিমাপ করার পদ্ধতি আবিষ্কার করেছিলেন তারা।








