যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স চলতি সপ্তাহের শেষ নাগাদ পাকিস্তান সফরে যেতে পারেন। ইরান ইস্যুতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধ পরিস্থিতি থেকে বের হওয়ার উপায় নিয়ে আলোচনার লক্ষ্যেই এ সফর হতে।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের প্রতিনিধিরা ট্রাম্প প্রশাসনকে জানিয়েছে যে তারা স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে পুনরায় আলোচনায় বসতে আগ্রহী নয়। এরপরই পাকিস্তান পক্ষ থেকে ভ্যান্সের নাম প্রস্তাব করা হয়।
এদিকে, হোয়াইট হাউস এই পরিবর্তনকে তেমন গুরুত্ব দিতে চায়নি। বুধবার হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেন, এখানে নতুন কিছু নেই। ভাইস প্রেসিডেন্ট সবসময়ই প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং জাতীয় নিরাপত্তা দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন। প্রশাসনের শুরু থেকেই তিনি এসব আলোচনার অংশ।
তিনি আরও জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক সব ধরনের বিষয়ে ভ্যান্সের পরামর্শ নেন।
তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কার সঙ্গে আলোচনা করছে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে রাজি হননি লেভিট। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে সিএনএন জানিয়েছে, সম্ভাব্য যুদ্ধ প্রশমন নিয়ে আলোচনার জন্য ভ্যান্সসহ মার্কিন কর্মকর্তাদের একটি বৈঠক পাকিস্তানে আয়োজনের চেষ্টা চলছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্ভাব্য এই সফরের সময়, স্থান এবং অংশগ্রহণকারীদের বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
পাকিস্তান সফর নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ার আগেই গণমাধ্যমে খবর আসে, ইসলামাবাদে আলোচনা হলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান আলোচক হিসেবে ভ্যান্সকে সামনে আনা হতে পারে।
অন্যদিকে, ইরানি আলোচকরা ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে আলোচনায় বসতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ও ফলপ্রসূ আলোচনা আয়োজন করতে তার দেশ প্রস্তুত। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য আলোচনার ভেন্যু হিসেবে ইসলামাবাদকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে পাকিস্তান।
দ্য গার্ডিয়ান-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় এক মাস আগে শুরু হওয়া এই সংঘাতের অবসান নিয়ে আলোচনা করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান খুব শিগগিরই ইসলামাবাদে বৈঠকে বসতে পারে।








