দিনাজপুর-৬ (বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, ঘোড়াঘাট, হাকিমপুর) আসনের নবাবগঞ্জ উপজেলার পুটিমারি ইউনিয়নের দোলারদরগা এলাকায় বিএনপির নির্বাচনী অফিসে হামলা চালিয়েছে জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা। প্রচার কার্যালয়ে টেবিল-চেয়ার ভাঙচুরসহ ব্যানার ছিঁড়ে তছনছ করা হয়েছে। এ সময় বিএনপি কার্যালয়ে অবস্থানরত বেশ কয়েকজন বিএনপি কর্মী আহত ও লাঞ্ছিত হয়েছেন।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এ ঘটনা ঘটে। বিএনপির নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, নির্বাচনী অফিসে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা। এ হামলায় বিএনপির বেশ কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছেন।
বিএনপির কর্মীরা জানান, রাতে নবাবগঞ্জ উপজেলার দোলারদরগা বাজারে বিএনপির নির্বাচনী অফিসে প্রতীকের থিম সং বাজানো হচ্ছিল। এ সময় জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা সেখানে জনসংযোগ করতে এসে ধানের শীষের থিম সং বন্ধ করতে বলেন। কিন্তু বিএনপির কর্মীরা থিম সং বন্ধ না করায় কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ১৫০–২০০ জন অংশগ্রহণ করে বলে জানান বিএনপির কর্মীরা।
নবাবগঞ্জ থানার ইনচার্জ নুরে আলম সিদ্দিকী জানান, শনিবার বিকেলে দোলারদরগা নির্বাচনী কার্যালয় থেকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও এমপি প্রার্থী ডা. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেনের কর্মীরা ধানের শীষ মার্কার পক্ষে নির্বাচনী প্রচার মিছিল বের করেছিলেন। মাগরিবের নামাজের পর বিএনপির ওই কার্যালয় সংলগ্ন স্থানে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলামের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের কর্মীরা নির্বাচনী পথসভা শুরু করেন। এ সময় বিএনপির নির্বাচনী কার্যালয়ে চলা প্রচার মাইক বন্ধ বা ভলিউম কমবেশি করার বিষয় নিয়ে জামায়াতকর্মীরা বিএনপির কর্মীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে তারা বিএনপির দুই কর্মীকে লাঞ্ছিত করেন। পরে কার্যালয়ে চড়াও হয়ে চেয়ার-টেবিলসহ ব্যানার তছনছ করেন।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিল্লুর রহমান জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা অবস্থান নিয়েছেন। পাশাপাশি যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসন টহল জোরদার করেছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানান ওই দুই কর্মকর্তা।
এদিকে, রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।








