প্রায় দুই দশকের ক্যারিয়ারে পরিশ্রম ও নিষ্ঠা দিয়েই কিংবদন্তি হয়ে উঠেছেন মুশফিকুর রহিম। কখনও পরিবর্তন হয়নি অনুশীলন রুটিনের। বছরের পর বছর একইভাবে অনুশীলন করেছেন অভিজ্ঞ ব্যাটার। শততম টেস্টের মাইলফলক স্পর্শ করে মুশফিক জানালেন, তার দীর্ঘ পথচলায় সবচেয়ে বেশি অবদান স্ত্রী জান্নাতুল কেফায়েত মন্ডির।
মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে আসেন মুশফিক। সেখানে তুলে ধরেন, দীর্ঘ ক্যারিয়ারে স্ত্রীর অবদানের বিষয়টি।
‘আমার মনে হয় সবচেয়ে বড় স্যাক্রিফাইস… সাপোর্টটা আমার স্ত্রী দিয়েছে সত্যি বলতে। আপনারাও জানেন যে হয়তোবা, দেখেন যে আমি একটু অন্যদের তুলনায় বেশি অনুশীলন করি। এটা কখনও সম্ভব হতো না, যদি আমার ঘরে এরকম একটা পরিবেশ না থাকত। আমরা যৌথ পরিবারে থাকি। তো দেখা যায় যে আমার স্ত্রীর ওপর যে প্রত্যাশা আছে, সবাইকে ওইভাবে ম্যানেজ করা, কিছু হলেই ওকে ফোন দিয়ে এটা সমস্যা বা যত জরুরি বিষয়, ও সেগুলো ম্যানেজ করে নেয়। এটা অনেক বড় ব্যাপার। এটা আমি বলব যে, এটা অনেক বড় স্যাক্রিফাইস।’
দুই সন্তানের বাবা মুশফিক। লম্বা ক্যারিয়ারে বাচ্চাদের বড় করা কিংবা পরিবারের অন্যান্য দায়িত্ব থেকে মুক্ত থেকে নিজের খেলায় মনোযোগ দিতে পেরেছেন। সেজন্য স্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন ৩৮ বর্ষী ব্যাটার। বলেছেন, ‘আমার দুটো বাচ্চা আছে। রাতে স্বাভাবিকভাবে ছোট বাচ্চারা সারারাত ঘুমায় না। কিন্তু আমার কখনও নির্ঘুম রাত কাটেনি। কারণ সে পুরোটা সময় রাত জেগে বাচ্চাদের মানুষ করেছে। আমাকে ওই টেনশন থেকে মুক্ত রাখার চেষ্টা করেছে। তাই আমি সবসময় তার প্রতি কৃতজ্ঞ।’
‘কখনও এরকম করে তার সামনেও বলা হয় না। এটা নিয়ে তারও একটা অভিযোগ আছে। তবে সত্যি করে বললে আমি এই দিক থেকে ভাগ্যবান ছিলাম। কারণ এটা একটা বড় বিষয়। আমার ১১ বছরের মতো হয়েছে সংসার জীবন। তবে আমি মনে করি যে আমার ক্রিকেটের ইম্প্যাক্ট যদি আপনারা ২০১৪ সালের পর থেকে দেখেন, এটা অনেক বড় ভূমিকা। তাই তাকে অনেক ধন্যবাদ।’







