পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ সফরে গেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তার সফর ঘিরে রাজধানীতে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
শুক্রবার একটি ছোট প্রতিনিধি দল নিয়ে তিনি ইসলামাবাদে পৌঁছান এবং সেখানে পাকিস্তানের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির, উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি।
ইসলামাবাদে পৌঁছানোর পর আরাগচি ও তার প্রতিনিধি দল সেরেনা হোটেলে অবস্থান নেন। সেখানেই পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে তার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন নিয়ে বিরোধের জেরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়। পরে ৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়। এরপর ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদের সেরেনা হোটেলেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রথম দফা সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।
সেই বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন জে ডি ভ্যান্স এবং ইরানের পক্ষে নেতৃত্ব দেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ। দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার আলোচনা সত্ত্বেও ওই সংলাপ থেকে কোনো সমঝোতা চুক্তি হয়নি। আসন্ন দ্বিতীয় দফা সংলাপকে ঘিরে নতুন করে প্রস্তুতি চলছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানিয়েছে।
তবে এ দফায় ভ্যান্স ও ঘালিবাফ দুজনেই উপস্থিত থাকবেন না বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে টেলিফোনে আলোচনায় পাকিস্তানের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টার প্রতি সমর্থন জানানো হয়েছে।








