রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালোর বিপক্ষে ম্যাচে দিল্লির হয়ে আসরের দ্বিতীয় অংশগ্রহন ছিল মোস্তাফিজের। এদিন বল হাতে একবারেই অনুজ্জ্বল ছিলেন বাংলাদেশি বোলার। দিল্লির বোলারদের মাঝে সর্বোচ্চ রান খরচ করেছেনও তিনি। মোস্তাফিজের ভরাডুবির দিনে আসরে টানা পঞ্চম পরাজয় দেখল ডেভিড ওয়ার্নারের দল। বেঙ্গালোর বিপক্ষে হেরেছে ২৩ রানে।
বেঙ্গালুরুতে টস জিতে স্বাগতিকদের ব্যাটে পাঠায় দিল্লি ক্যাপিটালস। নির্ধারিত ওভার শেষে ৬ উইকেটে ১৭৪ রান সংগ্রহ করে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালোর। জবাবে ব্যাটে নেমে ৯ উইকেটে ১৫১ রান সংগ্রহ করে ক্যাপিটালস। এ নিয়ে আসরে পাঁচটি ম্যাচ খেলেছে দিল্লি, হেরেছে সবকটিতেই। চার ম্যাচে দুই জয়ে টেবিলের সাতে বিরাট কোহলির দল।
চ্যালেঞ্জার্সদের উড়ন্ত শুরুর দিনে তৃতীয় ওভারে বল করতে আসেন মোস্তাফিজ। দুই চারের মার হজম করে খরচ করেন ১০ রান। দ্বিতীয় ওভারে ১৯ রান খরচ করেন টাইগার পেসার। ওভারটিতে দুই ছক্কা ও এক চার হজম করেন তিনি। তৃতীয় ওভারে দুই চার হজম করে দেন আরও ১২ রান।
ইনিংসে মোট তিন ওভার করেছিলেন ফিজ। ১৩.৬৬ গড়ে দিয়েছেন মোট ৪১ রান। নিতে পারেননি কোনো উইকেট। বেশি রান খরচের তালিকায় মোস্তাফিজের পর ছিলেন মিচেল মার্শ। ২ ওভারে ৯ গড়ে দিয়েছেন ১৮ রান, ছিল দুটি উইকেটও।
বেঙ্গালোর ব্যাটারদের মধ্যে ৩৪ বলে ৫০ রান করেছেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ১৬ বলে ২২ করেছেন ডু-প্লেসিস, ১৮ বলে ২৬ করেন মহিপাল, ১৪ বলে ২৪ রান করেন ম্যাক্সওয়েল। ১২ বলে ২০ রান করে শাহবাজ আহমেদ ও ২২ বলে ১৫ রান করে অপরাজিত ছিলেন আনুজ রাওয়াত।
দিল্লির বোলারদের মধ্যে দুটি করে উইকেট নেন মিচেল মার্শ ও কুলদীপ যাদব। একটি করে উইকেট নিয়েছেন লতিফ যাদব ও অক্ষর প্যাটেল।
জবাবে ব্যাটে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে দিল্লি। মাত্র ৩ রানেই হারায় ৩ উইকেট। ৩০ রানে হারাতে হয় চতুর্থ ব্যাটারকেও। ধারাবাহিকভাবে উইকেট হারাতে থাকে সফরকারী দল। শেষ অবধি নির্ধারিত ওভারে দিল্লি সংগহ করে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৫১ রান।
ব্যাটারদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ইনিংস খেলেছেন মনিশ পান্ডে । ৩৮ বলে ৫০ রান করেন তিনি। এছাড়া ১৩ বলে ১৯ রান করেন ডেভিড ওয়ার্নার, ১৪ বলে ২১ করেন অক্ষর প্যাটেল, ১৪ বলে ২৩ রান করেন নর্তজি। বাকীদের কেউই স্পর্শ করতে পারেনি দুই অঙ্কের ঘর।
বেঙ্গালোরের হয়ে সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন বিজয় কুমার। মোহাম্মদ সিরাজ নেন দুটি উইকেট।








