শুভমন গিলের সেঞ্চুরিতে ভর করে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ৩৪ রানে হারিয়েছে আগেই প্লে-অফে খেলা নিশ্চিত করা গুজরাট টাইটান্স। জয়ে দলটি পয়েন্ট টেবিলের সেরা দুইয়ে থেকে লিগপর্ব শেষ করা নিশ্চিত করেছে।
পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থাকা গুজরাট ১৩ ম্যাচে তুলেছে ১৮ পয়েন্ট। সমান ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে চেন্নাই সুপার কিংস। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ১২ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় এবং ১৩ পয়েন্ট নিয়ে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস চতুর্থ স্থানে রয়েছে।
সোমবার নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামা গুজরাট ৯ উইকেটে ১৮৮ রান করে। জবাবে হায়দরাবাদ ৯ উইকেটে ১৫৪ রান জমা করতে পারে।
গুজরাট রানের খাতা খোলার আগেই হারায় প্রথম উইকেট। ভূবনেশ্বর কুমারের বলে দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ঋদ্ধিমান সাহা।
দ্বিতীয় উইকেটে সাই সুদর্শনকে নিয়ে ১৪৭ রান যোগ করেন বাইশ গজে ঝড় তোলা শুভমন গিল। ৩৬ বলে ৬ চার ও এক ছক্কায় ৪৭ রান করা সুদর্শন আউট হলে জুটি ভাঙে। সেখান থেকে ভয়াবহ ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে গুজরাট। ৪১ রান যোগ করতে হারিয়ে ফেলে ৮ উইকেট।
মাঝে একাই লড়ে যাওয়া গিল তুলে নেন সেঞ্চুরি। ভূবনেশ্বরের শিকার হওয়ার আগে ৫৮ বলে ১৩ চার ও এক ছক্কায় ১০১ রানের চমৎকার ইনিংস খেলেন।
গিল ও সুদর্শন ছাড়া আর কোনো ব্যাটার ব্যক্তিগত রান দুই অঙ্কের ঘরে নিতে পারেননি। তিন ব্যাটার শূন্য রানে মাঠ ছাড়েন।
অরেঞ্জ আর্মিদের হয়ে ভূবনেশ্বর ৩০ রানে তুলে নেন ৫ উইকেট। একটি করে উইকেট নেন মার্কো জানসেন, ফজলহক ফারুকি ও টি নটরাজন।
১৮৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে হায়দরাবাদ প্রতিপক্ষ বোলিং আক্রমণের সামনে শুরু থেকেই দিশেহারা হয়ে পড়ে। বোর্ডে ৫০ রান জমা করার আগে খুইয়ে বসে ৬ উইকেট। সপ্তম উইকেট পড়ার সময় রান ছিল ৫৯।
হায়দরাবাদের শোচনীয় হার যখন সময়ের ব্যাপার মনে হচ্ছিল, তখন অষ্টম উইকেটে ভূবনেশ্বরকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েন হেইনরিখ ক্ল্যাসেন। ব্যাট হাতে পাল্টা আক্রমণে গিয়ে একাই লড়ে তুলে নেন ফিফটি।
১৭তম ওভারের পঞ্চম বলে ক্ল্যাসেন ঝড় থামান মোহাম্মদ শামি। প্রোটিয়া উইকেটরক্ষক ব্যাটার ৪৪ বলে ৪টি চার ও ৩ ছক্কায় ৬৪ রান করে স্বদেশী ডেভিড মিলারের তালুবন্দি হন। ভেঙে যায় ৬৮ রানের অষ্টম উইকেট জুটি। রশিদ খানের হাতে ধরা পড়ে নবম ব্যাটার হিসেবে ক্রিজ ছাড়া ভূবনেশ্বর ২৬ বলে ৩ চারে করেন ২৭ রান।
গুজরাটের পক্ষে ২১ রান খরচায় ৪ উইকেট পান শামি। ২৮ রানে ৪ উইকেট নেন মোহিত শর্মা। এক উইকেট পকেটে পোরেন ইয়াশ দয়াল।








