কার্লো আনচেলত্তি কোচের দায়িত্ব নেয়ার পর ব্রাজিল দলে খেলা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল নেইমারের। কথা চালাচালি আর জল কম ঘোলা হয়নি। অবশেষে সব জল্পনার অবসান। বিশ্বকাপে যাচ্ছেন নেইমার, খবরটি নিজ মুখেই জানালেন ইতালিয়ান কোচ আনচেলত্তি।
রিও ডি জেনিরোর ‘মিউজিয়াম অব টুমরো’তে সোমবার রাতে সংবাদ সম্মেলনে কোচ আনচেলত্তি যখন ২৬ জনের চূড়ান্ত তালিকা পড়লেন, সেখানে সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত নামটা নেইমারেরই ছিল। দীর্ঘ আড়াই বছর জাতীয় দলের বাইরে থাকার পর ফিরলেন ৩৪ বর্ষী তারকা, সেটিও সরাসরি বিশ্বকাপ দলে।
সেলেসাওদের ইতিহাস সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমার। জাতীয় দলের হয়ে ১২৮ ম্যাচে ৭৯ গোল করেছেন। ২০২৩ সালের অক্টোবরে হাঁটুর গুরুতর চোটে পড়ার পর আর বিখ্যাত হলুদ জার্সি গায়ে চাপাতে পারেননি। ২০২২ বিশ্বকাপের পর থেকে নেইমার সবমিলিয়ে ১১ বার চোটে পড়েছেন। ৮০৭ দিন মাঠের বাইরে থেকে সবমিলিয়ে ১১৪টি ম্যাচ মিস করেছেন।
আনচেলত্তি আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন, পুরোপুরি ফিট ও ভালো ছন্দে থাকলেই কেবল বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাওয়ার বিবেচনায় আসবেন নেইমার। বারবার উপেক্ষিত হওয়ার পর অবশেষে কোচের মন গলাতে পারলেন তিনি।
দলে বড় চমক রিয়াল মাদ্রিদ থেকে ধারে অলিম্পিক লিওতে গিয়ে দুর্দান্ত খেলা এন্দ্রিক ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড তারকা কাসেমিরো। বাদ পড়েছেন কাতার বিশ্বকাপে খেলা ২৫ বর্ষী ফরোয়ার্ড রদ্রিগো।
২০২৬ বিশ্বকাপে ‘সি’ গ্রুপে থাকা ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ মরক্কো, হাইতি ও স্কটল্যান্ড। ফুটবল মহাযজ্ঞ শুরুর আগে পানামার বিপক্ষে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে তারা।
ব্রাজিল বিশ্বকাপ দল
কোচ: কার্লো আনচেলত্তি
গোলরক্ষক: অ্যালিসন, এডেরসন ও ওয়েভারটন।
ডিফেন্ডার: অ্যালেক্স সান্দ্রো, দানিলো, লিও পেরেইরা, ব্রেমার, ইবানেজ, ওয়েসলি, মার্কুইনহোস, গ্যাব্রিয়েল মাগালহেয়েস ও ডগলাস সান্তোস।
মিডফিল্ডার: ব্রুনো গুইমারায়েস, কাসেমিরো, দানিলো সান্তোস, ফ্যাবিনহো ও লুকাস পাকুয়েতা।
ফরোয়ার্ড: এন্দ্রিক, গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি, ইগর থিয়াগো, ম্যাথিয়াস কুনহা, রাফিনহা, ভিনিসিয়াস জুনিয়র, লুইজ হেনরিক, নেইমার ও রায়ান।








