এশিয়া কাপের সুপার ফোরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেনি ব্যাটাররা। দুনিথ ওয়েল্লাগে ও চারিথ আশালঙ্কার দাপুটে বোলিংয়ে রীতিমত বিধ্বস্ত হয়েছে ভারত। বৃষ্টির হানায় ম্যাচ কিছু সময় বন্ধ থাকলেও শেষ অবধি ৪৯.১ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২১৩ রানে থেমেছে রোহিত শর্মার দল।
কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাটের সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। শুরুটা ভালোই হয়েছিল তাদের। প্রথম উইকেট জুটিতে আসে ৮০ রান। এরপর ১১ রানে হারায় তিন ব্যাটারকে। লোকেশ রাহুল ও ঈশান কিষাণের ৬৩ রানের জুটি ভাঙ্গার পর দ্রুতই উইকেট হারাতে থাকে ভারত। ৪৭তম ওভার শেষের পর বৃষ্টি হানা দেয়। এক ঘণ্টারও বেশি সময় বন্ধ ছিল খেলা। বৃষ্টি শেষে ব্যাটে নেমে শেষ অবধি শ্রীলঙ্কাকে ২১৪ রানের লক্ষ্য দিয়েছে তারা।
ব্যাটে নেমে শুভমন গিল ও রোহিত শর্মা দুর্দান্ত শুরু করেন। ১১.১ ওভারে দলীয় ৮০ ভাঙে প্রথম উইকেট জুটি। দুনিথ ওয়েল্লাগের বলে ফেরেন গিল। ২৫ বলে ১৯ রান করেন গিল। ১৩.৫ ওভারে দলীয় ৯০ রানে বিরাট কোহলিকে নিজের দ্বিতীয় শিকার বানান ওয়েল্লাগে। বিরাট ফেরেন ১২ বলে ৩ রান করে। ১৫.১ ওভারে তৃতীয় আঘাত হানেন লঙ্কান স্পিনার। ফিফটি করা রোহিতকে ফেরান দলীয় ৯১ রানে। ৪৮ বলে ৫৩ রান করেন ভারতীয় অধিনায়ক।
চতুর্থ উইকেট জুটিতে হাল ধরেন লোকেশ রাহুল ও ঈশান কিষাণ। ৬৩ রানের জুটি গড়ে ৩০তম ওভারের শেষ বলে দলীয় ১৫৪ রানে ওয়েল্লাগের চতুর্থ শিকার হন লোকেশ রাহুল। ৪৪ বলে ৩৯ রান করেন পাকিস্তান ম্যাচে সেঞ্চুরি করা ব্যাটার। ৩৪.২ ওভারে দলীয় ১৭০ রানে চারিথ আশালঙ্কার বলে ওয়েল্লাগের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন কিষাণ। ৬১ বলে ৩৩ রান করেন ভারতীয় উইকেটরক্ষক ব্যাটার।
পরের ওভারেই ওয়েল্লাগের পঞ্চম শিকার হন হার্দিক পান্ডিয়া। ১৮ বলে ৫ রান করেন এই অলরাউন্ডার। ৩৮.৫ ওভারে দলীয় ১৭৮ রানে রবীন্দ্র জাদেজাকে নিজের দ্বিতীয় শিকার বানান আশালঙ্কা। জাদেজা ফেরেন ১৯ বলে ৪ রান করে। ৪৩তম ওভারে দলীয় ১৮৬ রানে পরপর দুই বলে জাসপ্রীত বুমরাহ ও কূলদ্বীপ যাদবকে ফেরান আশালঙ্কা। ১২ বলে ৫ রান করেছিলেন বুমরাহ, রানের খাতা খুলতে পারেননি কূলদ্বীপ।
শেষ উইকেট জুটিতে ৪৭তম ওভার ব্যাট করার পর বৃষ্টি হানা দেয় মাঠে। আর তাতেই থেমে যায় লড়াই। বৃষ্টি নামার আগে ভারতের সংগ্রহ ছিল ৯ উইকেটে ১৯৭ রান। এক ঘণ্টারও বেশি সময় পর খেলা শুরু হয়। ব্যাটে নেমে মোহাম্মদ সিরাজকে নিয়ে ২০০ রান পার করেন অক্ষর প্যাটেল।
৪৯.১ ওভারে লং-অনের উপর দিয়ে উড়িয়ে মারতে গিয়ে সাদিরা সামারাবিক্রমার হাতে ক্যাচ দিয়ে মাহেশ থিকসানার শিকার হন অক্ষর। ৩৬ বলে ২৬ রান করেন তিনি।
লঙ্কানদের হয়ে সর্বোচ্চ পাঁচটি উইকেট নিয়েছেন দুনিথ ওয়েল্লাগে। চারিথ আশালঙ্কা নিয়েছেন চারটি। এছাড়া মাহেশ থিকসানা নেন এক উইকেট।








