আন্তর্জাতিক

বছরের প্রথম দিনে ব্ল্যাক হোলে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছে ভারত

ভারতীয় স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের সময় লঞ্চ প্যাড থেকে ধোঁয়া ও আগুনের শিখা. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

ভারতীয় একটি রকেট উৎক্ষেপণের সময় ধোঁয়া ও আগুনের শিখা দেখা যাচ্ছে, যা দেশের মহাকাশ গবেষণার অগ্রগতি নির্দেশ করে।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ

মহাবিশ্বের সবচেয়ে বড় রহস্যগুলোর মধ্যে অন্যতম ব্ল্যাক হোলের সমাধান প্রচেষ্টায় নতুন বছরের প্রথম দিনে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছে ভারত।

ব্ল্যাক হোল এবং নিউট্রন নক্ষত্রগুলো অজানাকে জানার জন্য উন্নত জ্যোতির্বিদ্যা সম্পন্ন স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠানো হয়েছে।

এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

১ জানুয়ারি ভারতীয় সময় সকাল ৯টা ১০ মিনিটে এক্স-রে পোলারিমিটার স্যাটেলাইটি উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরে ব্ল্যাক হোলে স্যাটেলাইটি পাঠানোতে ভারত দ্বিতীয় দেশের স্বীকৃতি পেয়েছে।

এক্স-রে ফোটন এবং তাদের মেরুকরণ ব্যবহার করে ব্ল্যাক হোল এবং নিউট্রন থেকে বিকিরণ কীভাবে হয়, তা জানতে সাহায্য করবে। স্যাটেলাইটি এক্স-রেতে পোলারিমিটার যন্ত্র এবং এক্স-রে স্পেকট্রোস্কোপি টাইমিং নামে দুটি পেলোড বহন করছে।

স্যাটেলাইটটি পেলোড দিয়ে থমসন স্ক্যাটারিংয়ের মাধ্যমে প্রায় ৫০টি সম্ভাব্য মহাজাগতিক উৎস থেকে নির্গত শক্তি ব্যান্ড এক্স-রেগুলোর মেরুকরণ পরিমাপ করবে। এটি মহাজাগতিক এক্স-রে উৎসগুলোর দীর্ঘমেয়াদী বর্ণালী এবং অস্থায়ী গবেষণা চালাবে।

ব্ল্যাক হোলে মহাবিশ্বের সর্বোচ্চ মাধ্যাকর্ষণ শক্তি এবং নিউট্রন নক্ষত্রের ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি। এই বিষয়ে আরও তথ্য সংগ্রহ করে মিশনটি মহাকাশ পরিবেশের রহস্য উদঘাটনে সাহায্য করবে।

বিষয়:ব্লাক হোলভারতস্যাটেলাইট
প্রতিবেদক

চ্যানেল আই অনলাইন

চ্যানেল আই অনলাইন

আরও →

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…