ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যেই ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের কেন্দ্রীয় বাজেটে বাংলাদেশের জন্য আর্থিক সহায়তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে ভারত। নতুন বাজেটে বাংলাদেশকে ৬০ কোটি রুপি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের ১২০ কোটি রুপির তুলনায় ৫০ শতাংশ কম।
এনডিটিভি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রাজ্যসভাকে জানায়, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা বাড়িঘর, সম্পত্তি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও উপাসনালয় লক্ষ্য করে সহিংসতার ঘটনা ভারত সরকার ‘নিয়মিতভাবে পর্যবেক্ষণ’ করছে উল্লেখ করে দেশটির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং জানান, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উভয় পর্যায়েই একাধিকবার এই বিষয়ে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে ভারত।
তিনি আরও বলেন, ২০২৫ সালের ৪ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও এই বিষয়টি উত্থাপন করেন। একই সঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সেই অবস্থানকে সমালোচনা করেছে, যেখানে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলাকে ব্যক্তিগত বিরোধ বা রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব হিসেবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের মতে, এই ধরনের বক্তব্য উগ্রপন্থীদের আরও উৎসাহিত করে এবং সংখ্যালঘুদের মধ্যে ভয় ও অনিরাপত্তা বাড়ায়।
অন্যদিকে, ভারতের বৈদেশিক সহায়তার সবচেয়ে বড় অংশ পাচ্ছে ভুটান। দেশটির জন্য ২ হাজার ২৮৯ কোটি রুপি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা গত বছরের ২ হাজার ১৫০ কোটি রুপির তুলনায় বেশি। এই বাজেট উপস্থাপন করেন ভারতের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এটি ছিল তার নবম বাজেট, যেখানে উৎপাদন খাতের প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।








