টাঙ্গাইলে ১৩ ঘণ্টা পর একই স্থানে বাসের ধাক্কায় অটোরিক্সার চালকসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও ৬ জন।
গতকাল (১১ অক্টোবর) শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকা-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের কালিহাতীর সল্লা এলাকায় অরিন ট্রাভেলস পরিবহনের দ্রুত গতির একটি বাসের ধাক্কায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, অটোরিক্সার চালক ভূঞাপুরের অলোয়া ইউনিয়নের চেংটাপাড়া এলাকার চান্দু মণ্ডলের ছেলে সওকত মণ্ডল ও অটোরিক্সার যাত্রী ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া এলাকার নয়ন চন্দ্র দাস। নয়ন পূজা উপলক্ষে তার শ্বশুরবাড়ি সল্লা বেড়াতে এসেছিলেন।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানায়, নিহত ও আহতরা শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার দেউপুর পূজা মণ্ডপ থেকে অটোরিক্সা যোগে সল্লা ফিরছিলেন। পথিমধ্যে মহাসড়ক পার হবার সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা উত্তরবঙ্গগামী অরিন ট্রাভেলস্ পরিবহনের একটি বাস অটোরিক্সাটিকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিক্সায় থাকা শিশুসহ ৮জন গুরুতর আহত হয়। পরে আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে নয়নের মৃত্যু হয়। অন্য আহতদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে অটোরিক্সার চালক সওকত মণ্ডলের অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করা হয়। ঢাকা নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
এই বিষয়ে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার উপ-পরিদর্শক আবিদ হোসেন খান জানান, হাসপাতালে নেওয়ার পথে ১জন নিহত হলে পরিবারের লোকজন তাকে সল্লার শ্বশুর বাড়িতে নেয়। পরে পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানায় নিয়ে যায়। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। দুর্ঘটনা কবলিত বাস ও অটোরিক্সা উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হলেও বাসের চালক পলাতক আছেন।
তবে অটোরিক্সা চালককে ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা যাওয়ায় বিষয়টি জানা নেই পুলিশের। এর আগে গতকাল ভোর সাড়ে ৫টার দিকে একই এলাকায় ট্রাক ও কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে ২জন নিহত হয়। আহত হয় আরও একজন।








