চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মৌমাছি রক্ষায় অস্ট্রেলিয়ায় লকডাউন

অস্ট্রেলিয়ায় মৌমাছি রক্ষায় রীতিমতো চিন্তার ভাঁজ পড়েছে দেশটির সরকারের কপালে। মৌমাছি ধ্বংসকারী একটি পরজীবী আবিষ্কারের পর মৌমাছি রক্ষায় উঠে-পড়ে লেগেছে দেশটি। প্রায় ৮৩ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার সমমূল্যের কৃষি শিল্পের জন্য মৌমাছি পরাগায়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বায়োসিকিউরিটি কর্তৃপক্ষ দেশটির সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য নিউ সাউথ ওয়েলসের নিউক্যাসল বন্দরে ভারোয়া ডেস্ট্রাক্টর মাইট (পরজীবী) শনাক্ত করার পরে মৌমাছির উপর লকডাউন আরোপ করে।

Reneta June

একমাত্র প্রধান মধু উৎপাদক হিসাবে মারাত্মক কীটপতঙ্গের কারণে হুমকির মুখে পড়েছে। এর জন্য নিওনিকোটিনয়েড কীটনাশকের ব্যাপক ব্যবহারকেও এর সাথে দায়ী করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

লকডাউনের পরিকল্পনায় বলা হয়, বন্দরের চারপাশের ১০ কিলোমিটারের জরুরি অঞ্চলের কোনও মৌমাছিকে স্থানান্তরিত করার অনুমতি দেওয়া হবে না।

নিউ সাউথ ওয়েলসের কৃষিমন্ত্রী ডুগাল্ড সন্ডার্স বলেছেন, যদি ভারোয়া মাইট রাজ্যে প্রবেশ করে, তাহলে এর মারাত্মক পরিণতি হবে, তাই আমরা পরজীবীটি ধারণ করতে এবং স্থানীয় মধু শিল্প ও পরাগায়নকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত সতর্কতা ও পদক্ষেপ নিচ্ছি।

ভারোয়া মাইটের সাথে ভারী সংক্রমণ ইউরোপীয় মৌমাছিদের মধ্যে বিভিন্ন ধরণের রোগ সৃষ্টি করে। পর ফলে দুর্বল হয় মৌমাছি ও জনসংখ্যাও হ্রাস করে, যার ফলে পুরো দলের মৃত্যু ঘটে। পরজীবীটি ছোট, হুলবিহীন দেশীয় মৌমাছিকে প্রভাবিত করে না।

মৌমাছির মৌচাকের মধ্যে মৃত্যুর হার বিশ্বজুড়ে কয়েক দশক ধরে উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। চরম আবহাওয়া এবং পরজীবীদের শস্য-রাসায়নিক এক্সপোজার থেকে শুরু করে সমস্যাগুলির জন্য দায়ী। অস্ট্রেলিয়া কানাডা সহ ইউরোপীয় মৌমাছি রপ্তানি করে। কৃষি উৎপাদনকারীরা বর্তমানে মৌমাছির পতনের বিষয়টির সাথে লড়াই করছে।