দ্রুত সময়ের মধ্যে শক্তি সঞ্চয় করে মহাশক্তিশালী ক্যাটাগরি-৫ হ্যারিকেনে রূপ নিয়েছে ঘূর্ণিঝড় অ্যারিন। ঝড়টির স্থায়ী বাতাসের গতি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৬০ মাইল (২৬০ কিলোমিটার), যা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল হ্যারিকেন সেন্টারের (এনএইচসি) পরিচালক মাইক ব্রেনান জানান, ঝড়টি রাতারাতি অত্যন্ত শক্তিশালী হয়ে উঠেছে এবং তীব্র আকার নিয়েছে। শুক্রবার (১৫ আগস্ট) পর্যন্ত এটি একটি ট্রপিক্যাল স্টর্ম ছিল। মাত্র ২৪ ঘণ্টায় বাতাসের গতি ঘণ্টায় ১০০ মাইল থেকে ১৬০ মাইলে পৌঁছেছে।
বর্তমানে ক্যারিবীয় সাগরে অবস্থান করছে অ্যারিন। সপ্তাহান্তে এটি লিওয়ার্ড দ্বীপপুঞ্জ, ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ও পুয়ের্তো রিকোর উত্তর দিক অতিক্রম করবে।
সর্বোচ্চ ১৫ সেমি বৃষ্টিপাত হতে পারে, যা আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়াবে।
ধীরে ধীরে উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে এটি বাহামার পূর্ব দিক ঘেঁষে উত্তর ক্যারোলিনার আউটার ব্যাংকস অঞ্চলের দিকে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মাইক ব্রেনান সতর্ক করেছেন, অ্যারিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় পুরো পূর্ব উপকূলে প্রাণঘাতী ঢেউ ও রিপ কারেন্ট সৃষ্টি করবে। ফ্লোরিডা ও মিড-অ্যাটলান্টিক অঙ্গরাজ্যে ঢেউ সবচেয়ে বিপজ্জনক হবে। বারমুডা দ্বীপেও প্রাণঘাতী ঢেউ ও ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।
প্রবল বাতাসের কারণে যুক্তরাষ্ট্র কোস্টগার্ড ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জের সেন্ট থমাস ও সেন্ট জন দ্বীপে এবং সান হুয়ানসহ পুয়ের্তো রিকোর ছয়টি পৌরসভায় জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।
মার্কিন ন্যাশনাল ওশেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফেরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এনওএএ) জানিয়েছে, এ বছর আটলান্টিকে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সংখ্যক হ্যারিকেন দেখা দিতে পারে। সংস্থাটি আরও বলছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্যাটাগরি-৪ ও ক্যাটাগরি-৫ মাত্রার শক্তিশালী ঝড়ের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে।








