চলতি ডিপিএলে আলোচনা কেন্দ্র বিন্দুতে তাওহীদ হৃদয়। আম্পায়ারের সাথে অসদাচারণের কারণে শাস্তি পেয়েছিলেন মোহামেডান অধিনায়ক। পরে সেই শাস্তি নিয়ে জল ঘোলা কম হয়নি। এবার হৃদয়কে ৪ ম্যাচের জন্য নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
গত শনিবার শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের বিপক্ষে ম্যাচে আচরণবিধি লঙ্ঘনের জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে হৃদয়। যার ফল স্বরূপ একটি ডিমেরিট পয়েন্ট ও অর্থ জরিমানা পেয়েছেন তিনি।
হৃদয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে, ম্যাচ চলাকালীন আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে ভিন্নমত প্রকাশ করেছেন তিনি। মাঠ আম্পায়ার মনিরুজ্জামান টিংকু এবং আলী আরমান রাজন, তৃতীয় আম্পায়ার মুহাম্মদ কামরুজ্জামান এবং চতুর্থ আম্পায়ার এটিএম ইকরাম হৃদয়ের বিপক্ষে এই অভিযোগ আনেন ।
আগে থেকেই হৃদয়ের নামের পাশে ছিল ৭টি ডিমেরিট পয়েন্ট। তার সঙ্গে গতকালকের ঘটনায় নতুন করে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট যুক্ত হয়েছে। এরপর তাকে শুনানিতে ডাকা হলেও আসেননি। আম্পায়ারের সঙ্গে মাঠে অসদাচারণ ও পরবর্তীতে শুনানিতে অংশ না নেয়ায় ম্যাচ রেফারি আখতার আহমেদ লেভেল-১ অপরাধের জন্য হৃদয়কে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন, সঙ্গে একটি ডিমেরিট পয়েন্টও যোগ হয় তার।
সবমিলিয়ে ৮ ডিমেরিট পয়েন্ট হওয়ায় ৪ ম্যাচের জন্য হৃদয়কে নিষিদ্ধ করেছে বিসিবি। এখন থেকেই হৃদয়ের ৪ ম্যাচের এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। রোববার আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বিসিবি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘ডিপিডিসিএল ২০২৪-২৫ মৌসুমের আচরণবিধির ধারা ৫.২.৬ ধারা অনুসারে, ম্যাচ রেফারি আখতার আহমেদ ১০,০০০ টাকা জরিমানা এবং আরও একটি ডিমেরিট পয়েন্ট শাস্তি হিসেবে দিয়েছেন।’
‘ম্যাচ চলাকালীন আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে অসম্মতি প্রকাশ করায় বিসিবির আচরণবিধির ধারা ২.৮ এর অধীনে লেভেল-১ অপরাধের করেছেন হৃদয়। লেভেল ১ অপরাধের জন্য সর্বনিম্ন সতর্কতা এবং সর্বোচ্চ ৪০,০০০ টাকা জরিমানা এবং এক বা দুটি ডিমেরিট পয়েন্ট শাস্তি হিসেবে রয়েছে।’
‘সর্বশেষ একটি ডিমেরিট পয়েন্টের ফলে হৃদয়ের মোট আটটি ডিমেরিট পয়েন্ট হয়েছে। যার মধ্যে আগে থেকেই তার নামের পাশে ৭টি ডিমেরিট পয়েন্ট ছিল। ফলস্বরূপ, তিনি তাৎক্ষণিকভাবে চার ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা ভোগ করবেন।’








