পোলিশ নির্মাতা নির্মাণ করছেন ভ্লাদিমির পুতিনের বায়োপিক ‘পুতিন’। এই ছবিতে এআই-জেনারেটেড পুতিনের দেখা মিলবে।
সিনেমাটি আগামী সপ্তাহে কান ফিল্ম মার্কেটে আন্তর্জাতিক পরিবেশকদের কাছে তুলে ধরা হবে। ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি এবং দর্শকরা এআই গ্রহণ করতে কতটা প্রস্তুত, তা পরখ করবে ‘পুতিন’।
পোলিশ পরিচালক বেসালিলের সিনেমাটি রাশিয়ান নেতা ভ্লাদিমির পুতিনকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে পুনরায় তৈরি করেছে। নির্মাতা তার নিজস্ব প্রযুক্তি কোম্পানি এআইও দিয়ে পুতিনকে পর্দায় উপস্থাপন করবেন। পরিচালক সিনেমাটিকে ‘প্রথম ডিপফেক’ ফিচার ফিল্ম বলে অভিহিত করেছেন।
জার্মান গ্রুপ কিনোস্টার ‘পুতিন’-এর ওয়ার্ল্ড সেলসের দায়িত্বে আছে। আসন্ন কান চলচ্চিত্র বাজারে আন্তর্জাতিক পরিবেশকদের কাছে এটি পরিবেশন করা হবে। ইউরোপের কয়েকটি অঞ্চলে সিনেমাটি মুক্তি দেয়া হবে।
বেসালিল হলিউড রিপোর্টারে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তিনি একজন পোলিশ অভিনেতাকে দিয়ে অভিনয় করিয়ে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে অভিনেতার চেহারায় পুতিনের চেহারা বসিয়ে দিয়েছেন। সর্বোচ্চ রেজোলিউশন ব্যবহার করে বাস্তবসম্মত করে তুলেছেন। নির্মাতার কথায়, মেকআপ কিংবা প্রস্থেটিক ব্যবহার করে যা করা অসম্ভব।
সিনেমায় ২০০২ সালের মস্কো থিয়েটারের জিম্মি সংকট, চেচনিয়ায় কার্পেট বোমা হামলা এবং ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণ সহ বেশ কিছু ঘটনা দেখানো হবে।
তবে সিনেমার মূল ফোকাস পুতিন নিজেই, বেসালিলের এআই সংস্করণ। পুতিনের অসুন্দর চিত্র তুলে ধরা হয়েছে ছবি। ছবির ট্রেলারে পরিচালক পুতিনকে নোংরা ডায়াপারে কাঁপতে দেখিয়েছেন। ঠাণ্ডা মাথায় বোমা হামলা এবং রাজনৈতিক হত্যার আদেশ দিতে দেখা গেছে পুতিনকে। প্রেমিকা আলিনা কাবায়েভারর জন্য প্রাক্তন স্ত্রী লিউডমিলা আলেকসান্দ্রোভনা ওচেরেটনায়াকে অপমান করতেও দেখানো হয়েছে।
ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পরিপ্রেক্ষিতে বেসালিল প্রথম ২০২২ সালের মে মাসে ‘পুতিন’ চলচ্চিত্রটির ঘোষণা করেছিলেন। পর্দায় পুতিনের প্রতিরূপ ফুটিয়ে তুলতে এআই বিকাশ ও প্রশিক্ষণের জন্য দুই বছরেরও বেশি সময় লেগেছে। নির্মাতা মনে করেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির আসল পরীক্ষা ২৬ থেকে হবে, যখন ‘পুতিন’ পূর্ব ইউরোপের থিয়েটারে মুক্তি পাবে।
সূত্র: হলিউড রিপোর্টার







