ইসরায়েলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর পর দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছেন ইরান বড় ভুল করেছে এবং এজন্য তাকে মূল্য দিতে হবে। তবে ইসরায়েল পাল্টা হামলা চালালে ইসরায়েলের সব অবকাঠামোর ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হবে বলে জানিয়েছে ইরান। এই পরিস্থিতিতে ইসরায়েলের পাল্টা হামলার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।
আজ ২ অক্টোবর বুধবার বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের এখনকার কৌশল হল একসাথে ২ ভাবে এগিয়ে যাওয়া। হত্যা বা বিমান হামলা ও প্রতিরোধ যার মাধ্যমে ইরান ও ছায়াশক্তিগুলোকে বুঝিয়ে দেওয়া যে ইসরায়েলে আঘাত করলে আরও বেশি শক্তির মুখোমুখি হতে হবে। তবে যে পথেই ইসরায়েল যাক, ইরানের পাল্টা হামলা অবশ্যম্ভাবী হয়ে উঠবে এবং এর মাধ্যমে দেশ ২টি হামলা ও প্রতিশোধের চিরস্থায়ী এক চক্রে আবদ্ধ হয়ে পড়বে।
গত এপ্রিলে ইসরায়েল যেভাবে ইরানের হামলার জবাব দিয়েছিল তার চেয়ে এবার আরও অনেক বেশি শক্তি নিয়ে আক্রমণ করতে প্রলুব্ধ হবে দেশটি। ওই সময় ইসরায়েলকে অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ থেকে বিরত রাখতে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও দামেস্কে ইরানি কনস্যুলেটে হামলার পর তিনশর মতো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ইসরায়েলকে টার্গেট করে ছুঁড়েছিল ইরান।
শেষ পর্যায়ে ইসরায়েল ইরানের পারমাণবিক স্থাপনার কাছে ছোট কিন্তু প্রতীকী হামলা করেছিলো। এতে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিলো কম কিন্তু ইরানকে তারা দেখিয়েছে যে চাইলে তারা কোথায় পৌঁছাতে পারে। এবার হয়তো এর থেকে ভিন্ন হবে পরিস্থিতি। ইসরায়েল সাম্প্রতিক সময়ে ওই অঞ্চল জুড়ে তার কর্মকাণ্ডকে বিবেচনা করে তার শত্রু ও হুমকিগুলোকে নিশ্চিহ্ন করা।
ইরান যেমন মনে করেছে যে জুলাইয়ে তেহরানে হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়া ও কয়েকদিন আগে হেজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরাল্লাহ হত্যার জবাব দিতে হবে, ইসরায়েলও তেমনি ইরানের সরাসরি আক্রমণ নিয়ে চুপ করে থাকবে না। এমনকি এর লক্ষ্যবস্তু হতে পারে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা থেকে শুরু করে মঙ্গলবারের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা যেখান থেকে হয়েছে কিংবা ক্ষেপণাস্ত্র মজুদ রাখা ও যেখান থেকে নিক্ষেপ করা হয়েছে রিভল্যুশনারি গার্ডের ঘাঁটি পর্যন্ত।







