খাগড়াছড়ি

খাগড়াছড়িতে এখনো থমথমে অবস্থা

খাগড়াছড়িতে রাস্তায় ধ্বংসাবশেষ ও মানুষজনের চলাচল. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

খাগড়াছড়িতে এখনো থমথমে পরিস্থিতি, রাস্তায় ধ্বংসাবশেষ ও মানুষজনের চলাচল দেখা যাচ্ছে।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ

অডিও সংবাদএই খবরটি পডকাস্টে শুনুন

আজহার হীরা: খাগড়াছড়ি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যন্ড কলেজের শিক্ষক আবুল হাসনাত মুহাম্মদ সোহেল রানাকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় এখনো থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। অনাকাঙ্খিত ঘটনা এড়াতে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা ও পৌর এলাকায় জারি করা অনির্দিষ্টকালের ১৪৪ ধারা বলবৎ রয়েছে।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল মঙ্গলবার ১ অক্টোবর শহরের পানখাইয়াপাড়া সড়ক ও মহাজনপাড়ায় অন্তত ২০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। দোকানের মালামাল সড়কে এনে পুড়িয়ে দেয়া হয়। দোকানগুলোর অধিকাংশই কাপড়, বিউটিপার্লার, খাবার দোকান। একটি প্রাইভেট হাসপাতালও ভাঙচুরের শিকার হয়। ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের অধিকাংশই পাহাড়িদের মালিকানাধীন।

এদিকে, আজ বুধবার সকাল থেকে সীমিত সংখ্যক দূরপাল্লার গাড়ি ছেড়ে যাচ্ছে। অভ্যন্তরীন সড়কে খুব কম যানবাহন চলাচল করছে। পরিস্থিতি উত্তরণে সেনাবাহিনীর টহলের পাশাপাশি অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার দুপুরে ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে খাগড়াছড়ি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক আবুল হাসনাত মুহাম্মদ সোহেল রানাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর বিষয়টি পাহাড়ি-বাঙালিদের সংঘাতে রূপ নিলে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।

আবুল হাসনাত মুহাম্মদ সোহেল রানা প্রতিষ্ঠানের বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন ও সেফটি বিভাগের ইন্সট্রাক্টর ছিলেন। তার বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলায়। এর আগেও ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে আরেক ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে আবুল হাসনাত মুহাম্মদ সোহেল রানাকে জেল খাটতে হয়েছিল। অবশ্য সেই মামলায় বেকসুর খালাস পান তিনি। গতকাল তার বিরুদ্ধে আবারো ছাত্রী ধর্ষনের অভিযোগ আনা হলেও তা প্রমাণিত হওয়ার আগেই জীবন দিতে হল তাকে।

বিষয়:১৪৪ ধারা বলবৎ ছাত্রী ধর্ষণ

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…