আন্তর্জাতিক

মহাকাশে আটকে থাকা সুনিতা কেমন আছেন!

সুনিতা মহাকাশে আটকে থাকা অবস্থায় টর্চ লাইট হাতে ধরে আছেন. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

সুনিতা মহাকাশে আটকে থাকা অবস্থায় টর্চ লাইট হাতে ধরে আছেন, চারপাশে বিভিন্ন মহাকাশ যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম দেখা যাচ্ছে।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ

অডিও সংবাদএই খবরটি পডকাস্টে শুনুন

দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে মহাকাশে আটকে থাকা নাসার দুই মহাকাশচারী আগামী বছর ২০২৫ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে পৃথিবীতে দিরে আসবেন বলে জানিয়েছে স্পেসএক্স। তবে কেমন আছেন তারা বর্তমানে, এই প্রশ্ন একবার হলেও মাথায় এসেছে সবা।

বোয়িং স্টারলাইনার মহাকাশযানে মিশনে মহাকাশচারী সুনিতা উইলিয়ামস এবং ব্যারি উইলমোর যান। কিন্তু মহাকাশচারীদের ছাড়াই বোয়িং স্টারলাইনার মহাকাশযানটি পৃথিবীতে ফিরে আসছে। গত ৫ জুন ৮ দিনের এক মিশনে মহাকাশে তাদের যাত্রা শুরু হলেও এখন তারা প্রায় ৮ মাস কক্ষপথে কাটাবে।

নাসার মহাকাশযানে সুনিতা ও একজন মহাকাশচারী হাসিমুখে. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

তবে মহাকাশে থাকার জন্য শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে সুনিতা এবং ব্যারির। শরীরের ওপর অভিকর্ষের নিরবচ্ছিন্ন টান না থাকায় মহাকাশে মানবদেহের পেশি ও হাড়ের ঘনত্ব দ্রুত হ্রাস পেতে থাকে। দুই সপ্তাহ পরেই পেশির ঘনত্ব ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। ছয় মাস থাকলে তা ৩০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। এ ছাড়াও মহাকাশে থাকলে দ্রুত হারে কমতে থাকে লাল রক্তকণিকার পরিমাণ। সে ক্ষেত্রে দেখা দিতে পারে রক্তাল্পতার মতো শারীরিক সমস্যারও।

সুনিতা মহাকাশে অবস্থানরত, তিনি একটি স্পেসস্যুট পরেছেন. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

গবেষণা বলছে, মহাকাশে থাককালীন নভোচরের প্রতি সেকেন্ডে ২ লক্ষের বদলে ৩ লক্ষ লোহিত কণিকা ধ্বংস হয়ে যায়। হাড় ও পেশির ক্ষয় রোধে প্রতি দিন কয়েক ঘণ্টা করে ব্যায়াম করছেন তারা। তাদের স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখছেন চিকিৎসকেরাও।

নাসার রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রতি দিন কমপক্ষে ৮ ঘণ্টা ঘুমোচ্ছেন সুনিতা এবং ব্যারি। তাদের ওজন যাতে না কমে যায় তার জন্য ব্যবস্থা রয়েছে পুষ্টিকর খাবার ও পানীয়ের।

এর আগে ২০০৬ ও ২০১২ সালে মহাকাশ অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন সুনিতা। সব মিলিয়ে ৩২২ দিন মহাকাশে কাটানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।

বিষয়:মহাকাশ সুনিতা

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…