ছেলেদের অনূর্ধ্ব-২১ হকি বিশ্বকাপে গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে ফ্রান্সের বিপক্ষে দারুণ লড়াই করেও জয় আনতে পারেনি বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৫-৩ গোলে হার এবং দ্বিতীয় ম্যাচের সাউথ কোরিয়ার বিপক্ষে ৩-৩ গোলে ড্রয় করে লাল-সবুজের দল। তৃতীয় ম্যাচে ফ্রান্সের বিপক্ষে ৩-২ গোলে হেরে কোয়ার্টার ফাইনালের দৌড় থেকে ছিটকে গেল সিগফ্রিড আইকম্যান শিষ্যদের। আপাতত আসরে স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার ম্যাচের প্রথম কোয়ার্টারে পিছিয়ে যায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করলেও তৃতীয় কোয়ার্টারে আবারও পিছিয়ে যায় মেহরাব হাসান সামিনের দল। চতুর্থ কোয়ার্টারে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রচেষ্টা চালায় লাল-সবুজের যুবারা। শেষ অবধি আর ম্যাচে ফেরা হয়নি বাংলাদেশের। ফ্রান্সের হয়ে গোল তিনটি করেন টম গেইলার্ড, গ্যাবিন লোরাজুরি এবং জেমস লিডিয়ার্ড। বাংলাদেশের হয়ে গোল দুটি করেন আবদুল্লাহ এবং আমিরুল ইসলাম।
প্রথম কোয়ার্টারে সপ্তম মিনিটে গেইলার্ড পেনাল্টি স্ট্রোক থেকে গোল করে ফ্রান্সকে এগিয়ে নেন। প্রথম কোয়ার্টারে ফ্রান্স পাঁচটি পেনাল্টি কর্নার পেলেও গোল আদায় করতে পারেনি। ১-০তে পিছিয়ে পড়ে কোয়ার্টার শেষ করে বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় কোয়ার্টারে সমতায় ফেরে বাংলাদেশ। ম্যাচের ২৮ মিনিটে মো: আবদুল্লাহর গোল করেন। সমতায় থেকে দ্বিতীয় কোয়ার্টার শেষ করে বাংলাদেশ।
তৃতীয় কোয়ার্টারে আবারও পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। ৩২ মিনিটে লোরাজুরির গোলে এগিয়ে যায় ফ্রান্স। ৩৮ মিনিটে লিডিয়ার্ড গোল করলে ব্যবধান বাড়ে। কোয়ার্টারের শেষে ফ্রান্স এগিয়ে থাকে ৩-১ ব্যবধানে।
চতুর্থ কোয়ার্টারে ম্যাচের ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে উঠে বাংলাদেশ। চালাতে থাকে আক্রমণ। ফ্রান্স দুটি পেনাল্টি কর্নার পেলেও সেখানে থেকে গোল করতে পারেনি। ৫৫ মিনিটে আমিরুল গোল করলে ব্যবধান কমে বাংলাদেশের। ম্যাচ শেষ হয় ৩-২ গোলে।
আসরে স্থান নির্ধারনী ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। গ্রুপপর্বের ম্যাচ শেষ হলে প্রতপক্ষ নির্ধারিত হবে। বাংলাদেশের ম্যাচ গড়াবে বৃহস্পতিবার, সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হতে পারে ওমান কিংবা মিশর। বাংলাদেশ ১৭তম থেকে ২৪তম অবস্থানের জন্য লড়বে।
‘এফ’ পুল থেকে, ৩ ম্যাচে ৩টি জয়ে ৯ পয়েন্টে টেবিলের শীর্ষে আছে ফ্রান্স। ২ ম্যাচে ১ জয় ১ হারে ৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে অস্ট্রেলিয়া। ৩ ম্যাচে ১ ড্র এবং ২ হারে ১ পয়েন্টে তৃতীয় স্থানে বাংলাদেশ। ২ ম্যাচে ১ ড্র এবং ১ হারে টেবিলের তলানিতে সাউথ কোরিয়া।







