আন্তর্জাতিক কিংবা ঘরোয়া ক্রিকেটে মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামের সবচেয়ে দর্শকপ্রিয় পূর্ব গ্যালারি। বেশিরভাগ গ্যালারিতে ক্যানোপি বা শেড থাকলেও এই গ্যালারিতে নেই। ফলে রোদ বা বৃষ্টির সময় দর্শকদের বেশ ভোগান্তি পোহাতে হয়। সেই ভোগান্তি দূর করতে এবার বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বিসিবি। পাশাপাশি গ্যালারিগুলোর শেডে সোলার সিস্টেম স্থাপনের পরিকল্পনা করে তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন বোর্ড।
ঢাকা স্টেডিয়ামের আদলে শের-ই-বাংলার পূর্ব গ্যালারিতে প্রায় ২৭ হাজার বর্গফুটের ক্যানোপি স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে বিসিবি। বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে ক্যানোপি বসানো এবং স্টেডিয়ামকে সোলার সিস্টেমের আওতায় নিয়ে আসার উদ্যোগের বিষয়ে জানিয়েছেন বিসিবি অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল।
তামিম বলেন, ‘আমাদের স্টেডিয়ামের যেখানে স্ক্রিন এবং স্কোরবোর্ড আছে, সেখানে কোনো শেড নাই আমাদের। আমাদের প্রতিটা খেলায় টিকিটের দাম থাকে সবচেয়ে কম, আর এখানেই দর্শক আসে সবচেয়ে বেশি। এই গরমে ওরা প্রচণ্ড পরিমাণ কষ্ট পায় রোদে। আমরা মৌখিকভাবে সম্মত হয়েছি এখানে একটা ক্যানোপি সেটআপ করব।’
‘এটা প্রায় ২৭ হাজার স্কয়ার ফিটের মতো হবে, পুরো জিনিসটা (গ্যালারি) শেডের আওতায় এসে যাবে। ঢাকা স্টেডিয়ামে সম্প্রতি করা হয়েছে, কিছুটা ওই ধরনের হবে। আমরা মৌখিকভাবে সবাই সম্মত হয়েছি এবং এটার প্রক্রিয়া আমরা শুরু করে দিয়েছি। আশা করি, এই জিনিসটা খুবই দ্রুত সময় আপনারা এটা দেখতে পারবেন।’
বিদ্যুৎ খরচ কমানোর জন্য সোলার সিস্টেম স্থাপনের কথা ভাবছে বোর্ড। তামিম বলেন, ‘প্রতি মাসে আমাদের বেশ একটা বড় অঙ্কের টাকা দিতে হয় বিদ্যুৎ বিল হিসেবে। আমরা এটা নিয়ে (সোলার সিস্টেম) রেকি করছি। এটা একদমই শুরুর পর্যায়ে আছে। আমরা পুরো স্টেডিয়ামের প্রত্যেকটা ছাদে আমরা সোলার সিস্টেম করে দিব। এটা পরিবেশের জন্য ভালো, এছাড়া এনার্জি সেভ করবে।’
সোলার সিস্টেমের বিষয়ে আইডিয়া ক্রীড় প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এবং অ্যাডহক কমিটির পরিচালক ফাহিম সিনহা দিয়েছেন বলে জানিয়ে তামিম বলেন, ‘আমাদের প্রত্যেকটা জিনিস একটু হিসেব করে দেখতে হবে যে এটা আসলে বিনিয়োগ আর বিনিয়োগ থেকে ফেরত কী। যদি সবকিছু মিলে যায়…… যেহেতু আমাদের মাননীয় মন্ত্রী (যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক) এবং ফাহিম ভাই (ফাহিম সিনহা) বলছেন যে সোলার সিস্টেমটা আসলে পরিবেশের জন্য ভালো হবে।’








