গত অর্থবছরের তুলনায় স্বাস্থ্য বাজেট কম বেড়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, আমরা আশা করি বাজেট গত বছরের মত বা তার চেযে বেশি হওয়া উচিৎ।
বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কনফারেন্স রুমে বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরাম আয়োজিত “কেমন হলো স্বাস্থ্যবাজেট ২০২২-২৩” শীর্ষক গোলটেবিল অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনার কারণে অনেক কাজ গত বছর করতে পারিনি এবার তা করার আশা করছি। হেলথের ব্লক ফান্ড করোনার জন্য গত বছর দশ হাজার কোটি টাকা ছিলো এবার তা কমে পাঁচ হাজার কোটি টাকা। টোটাল হেলথের বাজেট হবে ৪০ হাজার কোটি টাকা কারণ অন্যান্য মন্ত্রণালয়ও হেলথের কাজ করে৷
তিনি বলেন, এ বছরের বাজেটে নতুন কোন ট্যাক্স ধরা হয়নি যা সাধারণ মানুষকে কষ্ট দিবে। অন্যান্য মন্ত্রণালয়ে বাজেট কিছুটা কমেছে। কিন্তু শিক্ষা- স্বাস্থ্যে বাজেট কমেনি। স্বাস্থ্যে যে ইমপোর্ট করা হয় সেগুলো গবেষণায় গুরুত্ব দেয়া হয়েছে সেখানে ১০০ কোটি টাকা রাখা হয়েছে। অসংক্রামক রোগ যাতে নিযন্ত্রণে থাকে সেজন্য বাজেটেও জোর দেয়ার কথা বলা হয়েছে। ভ্যাকসিন দেশে উৎপাদনের ওপর জোর দেয়া হয়েছে, যাতে ভ্যাকসিন প্রয়োজন হলে দেশেই পাওয়া যায়।
মন্ত্রী বলেন, অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের চেয়ে বাজেট ইমপ্রিমেন্টেশনে পিছিয়ে, এটা মানি তবে তার পিছনে কারণ আছে। বেশিরভাগ কাজ পিডব্লিউটিএ করে যা অন্য মন্ত্রণালয়। যা দেরি হয়। বৈদেশিক মুদ্রা।চারটি মেডিকেল কলেজের কাজ করতো দেরি হয়েছে।
প্রতিটা ক্রয়ের জন্য ফিন্যান্স মিনিস্ট্রিতে যেতে হয় ফাইল পাশ করতে। জনবল সংকট ও অভিজ্ঞতার ঘাটতি আছে। টেন্ডার অনুমোদনের প্রেসেসগুলো লেনদি। রড সিমেন্টের দাম বাড়লে কন্ট্রাক্টর কাজ স্লো করে। সব সক্ষমতার ঘাটতি নয় পারিপাশ্বিক অবস্থার কারণেও দেরি হয়। যে বাজেট দিয়েছে তা যদি সঠিকভাবে ব্যয় করতে পারি, প্ল্যানিং ঠিক মত করতে পারি, ঠিক সময়ে বাজেট ছাড় করতে পারি।
জাহিদ মালেক বলেন, করোনা নিযন্ত্রণে আছে, কিছুটা বাড়তির দিকে তাই আমাদের সজাক থাকতে হবে। আউট অব পকেট এক্সপেন্ডিচার যাতে কমে সেদিকে জোর দিতে হবে। কোভিড মোকাবেলায় সারা বছর টিকার কাজ করেছে সে ব্যয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় করেছে। স্বাস্থ্যসেবার সিসাটেম আরো ইমপ্রুভ করতে হবে, যেটার কাজ আমরা হাতে নিয়েছি৷ স্বাস্থ্য সেবা শুধু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হাতে নয়।
মন্ত্রী বলেন, বাজেটে পলিথিনের ওপর নিষেধাজ্ঞা নাই। পলিথিন মাটিতে মেশেনা। পলিথিন নিষিদ্ধ হওয়া উচিৎ না হলে হাই ট্যাক্স আরোপ করা উচিৎ। তামাকের ওপর হাই ট্যাক্স আরোপ করা উচিৎ। তামাক থেকে যা আয় হয় তা থেকে চিকিৎসায় তারচেয়ে বেশি খরচ হয়।








