কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা ঋণখেলাপির দায়ে বাতিল হওয়াকে ব্যাংক ডাকাত ও ঋণখেলাপিদের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ১১-দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।
তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে ঋণখেলাপিরা পরবর্তী বাংলাদেশে কঠোর পরিণতির মুখোমুখি হবে।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) আপিল বিভাগ মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা বাতিলের আদেশ বহাল রাখার পর সাংবাদিকদের কাছে প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন তিনি।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আপিল বিভাগের আজকের আদেশে জনগণের জয় হয়েছে; নিপীড়িতের পক্ষে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ব্যাংক লুট করে কেউ জনগণের ভোট নিয়ে সংসদে যেতে পারবে না। এ সময় আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মূসা ও আলী আজগর শরীফী উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফিরে পেতে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর করা লিভ টু আপিল খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ। ফলে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।
রোববার প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে মুন্সীর পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম ও অ্যাডভোকেট সাইফুল্লাহ আল মামুন। আর হাসনাত আবদুল্লাহর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন লিপু ও অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা।
উল্লেখ্য, ঋণখেলাপির অভিযোগ তুলে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিলের আবেদন করেন এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ। গত ১৭ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন (ইসি) ওই অভিযোগের ভিত্তিতে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করে।
ইসির সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে প্রার্থিতা ফিরে পেতে মুন্সী হাইকোর্টে রিট করেন। গত ২১ জানুয়ারি হাইকোর্ট রিটটি সরাসরি খারিজ করলে তিনি আপিল বিভাগে আবেদন করেন, যা শেষ পর্যন্ত খারিজ হলো।








