কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ফুটবল খেলা নিয়ে দু’পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অন্তত অর্ধশত মানুষ আহত হয়েছেন। তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
শনিবার (৭ ডিসেম্বর) পৌর শহরের গাইনহাটি ও পঞ্চবটী গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এই সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। বেলা সাড়ে ১১টার থেকে শুরু হয়ে কয়েক ঘণ্টা চলে এ সংঘর্ষ।
খবর পেয়ে ভৈরব থানার ওসি মো. শাহিন ও ভৈরব ক্যাম্পের সেনাবাহিনীর ক্যাপটেন রায়হানের নেতৃত্বে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর কয়েকটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয়রা জানান, সপ্তাহখানেক আগে শহরের পঞ্চবটী কাঠেরপুল এলাকায় বালুর মাঠে ফুটবল খেলা নিয়ে দুই গ্রামের যুবকদের মধ্যে মারামারি হয়। ওই মারামারি সালিসি দরবারে মিমাংসা হয়। মীমাংসার পর গত তিনদিন আগে গাইনহাটির যুবকরা ভৈরব বাজারে পঞ্চবটী গ্রামের ৩ যুবককে মারধর করেন। এঘটনা মীমাংসার জন্য শনিবার সকাল ১০টায় সালিশ বসার কথা ছিলো। কিন্তু সকালে গাইনহাটির লোকজন এলাকায় এক মুরুব্বি মৃত্যুর দুহাই দিয়ে সালিসি দরবারে পরে হবে জানান অপর পক্ষকে। এ খবর জানানোর ঘন্টাখানেক পর গাইনহাটির লোকজন কাঠেরপুল এলাকায় পঞ্চবটীর লোকজনের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে দু’পক্ষের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলতে থাকে। এত আহত হন দু’পক্ষের প্রায় অর্ধশত মানুষ। এসময় কাঠেরপুল এলাকার ১০-১২টি দোকানপাটে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটে।
গাইনহাটির লোকজন জানিয়েছে, দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় তাদের পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
এ বিষয়ে ভৈরব থানার ওসি মো. শাহিন জানান, খবর পেয়ে ভৈরব থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। তদন্ত করে আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়ার কথাও জানান ওসি।






