সৌদি আরবের হজ ও ওমরা বিষয়ক উপমন্ত্রী ড. আব্দুল ফাত্তাহ সুলাইমান মাশাত বাংলাদেশি হজযাত্রীদের প্রশংসা করেছেন। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পবিত্র হজব্রত পালনে আসা সকল হজযাত্রীদের জন্য সুন্দরভাবে হজ পালনের ব্যবস্থাপনা করা রাজকীয় সৌদি সরকারের জন্য অত্যন্ত সম্মানের বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
বুধবার (৭ জুন) সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী মক্কাতে সৌদির হজ ও ওমরা বিষয়ক উপমন্ত্রীর অফিসে সাক্ষাৎ করে এ বছর হজ এর সুব্যবস্থাপনার জন্য সৌদি সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এই বছর বাংলাদেশ থেকে সব হাজী ‘মক্কা রোড ইনিশিয়েটিভ’ এর আওতায় হজ যাত্রার শুরুতেই ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সুসম্পন্ন করায় তাদের হজ যাত্রা সহজ হয়েছে মর্মে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত। পাশাপাশি তিনি হজযাত্রীদের অনুকূলে দ্রুত ভিসা ইস্যু করার জন্য সৌদি সরকারকে ধন্যবাদ জানান।
রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বাংলাদেশ থেকে আগত হাজীদের পরিবহনের জন্য বিমানের আরও ১০টি ফ্লাইটের অনুমতি চাইলে উপমন্ত্রী তা বিবেচনার আশ্বাস দেন। উপমন্ত্রী ভবিষ্যতে হজ ব্যবস্থাপনাকে উন্নত করার জন্য সৌদি সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন।
উপমন্ত্রী বলেন, হজযাত্রী প্রেরণকারী দেশ সমূহের হজ এজেন্সির সংখ্যা সীমিত হলে হজ ব্যবস্থাপনা আরও সহজতর হবে এবং হাজীদের সমস্যা সমাধান করা সম্ভবপর হবে। তিনি এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে রাষ্ট্রদূত জাবেদ পাটোয়ারী তা সুবিবেচনার জন্য বাংলাদেশ সরকারকে অবহিত করা হবে মর্মে জানান। এ বছর বাংলাদেশ থেকে ১ লক্ষ ২২ হাজারের অধিক মানুষ পবিত্র হজব্রত পালন করবেন।
পরে রাষ্ট্রদূত দক্ষিণ এশিয়ার হাজীদের সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান ‘আল বাইত গেষ্টস’এর ভাইস প্রেসিডেন্ট উসামা দানেশ এর সাথে মক্কাস্থ তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করে মিনা, আরাফার ময়দান ও মুজদালিফাতে বাংলাদেশি হাজীদের জন্য গৃহীত ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন ও কাজের অগ্রগতির খোঁজখবর নেন। অগ্রগতি পর্যালোচনা করে রাষ্ট্রদূত আল বাইত গেষ্টস এর কাজে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
এ সকল বৈঠকে রাষ্ট্রদূতের সাথে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ মতিউল ইসলাম, জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ কনস্যূলেটের কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক ও অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।







