স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেছেন, ‘আমাদের দেশে চিকিৎসকের সংকট রয়েছে। সংকট কাটাতে নতুন করে কিছু চিকিৎসক নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। আশা করি, সংকট কাটিয়ে উঠতে পারবো। এজন্য আমি সারা দেশ ঘুরে বেড়াচ্ছি–আমার একটি ধারণা হচ্ছে কোথায় কী প্রয়োজন। তারপরে ঢাকায় গিয়ে আমি সেটি সমাধান করার চেষ্টা করবো।’
শনিবার (১৩ জুলাই) দুপুরে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে চিকিৎসক এবং কর্মচারীদের সুযোগ সুবিধা এবং নিরাপত্তার বিষয়ে সরকার সচেতন রয়েছে। একারণে আমরা কমিউনিটি ক্লিনিকের ওপর জোর দেওয়ার চেষ্টা করছি। আমরা যদি কমিউনিটি ক্লিনিকে স্বাবলম্বী হতে পারি তাহলে আস্তে আস্তে উপজেলা ও জেলায় জনসাধারণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা যাবে।’
প্রত্যন্ত অঞ্চলে চিকিৎসকদের অবস্থানে আগ্রহ কম থাকার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি যদি চিকিৎসককে বাসস্থান, সন্মান ঠিকভাবে দিতে পারি, নিরাপত্তা দিতে পারি, তাহলে অবশ্যই মফস্বল শহরে চিকিৎসকরা আসবেন। আমি তাদের আসতে বাধ্য করবো। এখন নারীরা এগিয়ে। অধিকাংশ জায়গায় তারা কাজ করছেন। তাদের নিরাপত্তা প্রয়োজন, ভালো বাসস্থান প্রয়োজন। তাহলে তারাও কাজ করার আগ্রহ দেখাবে।’
মন্ত্রী বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিক একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমি এটির ওপর গুরুত্ব দেওয়ার চেষ্টা করছি। কারণ কমিউনিটি ক্লিনিককে স্বাবলম্বী করতে পারলে,জেলা-উপজেলা সব জায়গায় ভালো চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে। তারা কাজ করেও সন্তুষ্টি পাবে।’
এ সময় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব জাহাঙ্গীর আলম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডাক্তার আবুল বাশার মো. খোরশেদ আলম, দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. জাকারিয়া, রংপুর বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) এ বি এম আবু হানিফ, জেলা সিভিল সার্জন বোরহান-উল-ইসলাম, বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে এলাহী, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মহসীন আলী, বীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মজিবুর রহমানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পরে মন্ত্রী কাহারোলের ঐতিহাসিক কান্তজীউ মন্দির পরিদর্শন করেন।







