আইপিএলের প্রায় প্রতি মৌসুমেই গতিসম্পন্ন পেসারের দেখা মেলে। যথারীতি তাদের শরীরে তারকার ট্যাগ লাগানো হয়। গণমাধ্যম তাদের নিয়ে নানা রকমের ইতিবাচক খবর পরিবেশনেরও ব্যস্ত থাকে। যদিও স্বল্প সময়ের পর তারা ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে ব্যর্থ হন। সাবেক ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার সুনীল গাভাস্কার এ ব্যাপারে প্রাসঙ্গিক এক মন্তব্যই করে বসলেন।
টিম ইন্ডিয়ার বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটারের ভাষ্য, ভারতে, যখনই কেউ ১৪৫ কিলোমিটারের বেশি বোলিং করেন, তখনই আমরা তার প্রশংসায় লালা ঝরাতে শুরু করি। আমরা বলি, তিনিই পরবর্তী বড় সম্পদ।
লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের হয়ে খেলা মায়াঙ্ক যাদব চলতি মৌসুমে নিয়মিত ১৫০ কিলমিটার বেগে বল করায় বিস্ময়ের জন্ম দেন। উঠতি তারকা হিসেবে বিবেচিতও হন। দুই মৌসুম আগেও উমরান মালিকের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা দেখা গিয়েছিল। যদিও এবারের আসরে তিনি নিজের ছায়াই হয়ে থাকলেন।
তরুণ পেসারদের ভেতর দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করেছিলেন রাজস্থান রয়্যালসের সন্দীপ শর্মা। তিনি নিলামে অবিক্রিত থাকলেও চোট পাওয়া প্রসিদ্ধ কৃষ্ণের বদলি হিসেবে দলে অন্তর্ভুক্ত হন। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন এবং টুর্নামেন্টে ৮.১৮ ইকোনমি রেটে ১৩ উইকেট নিয়েছেন।
রাজস্থানের হয়ে খেলা এই পেসারের প্রশংসায় গাভাস্কার বলেন, বোলারদের চতুরতা প্রয়োজন যা সন্দীপ শর্মার আছে। ভারতের কেউ এটা নিয়ে কথা বলে না। তিনি ধারাবাহিকভাবে ভালো বোলিং করছেন।
সম্প্রতি ভারতীয় এক গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে নিজের আক্ষেপের কথা লুকাননি সন্দীপ। বলেছিলেন, জাতীয় দলে সুযোগ না পাওয়া নিয়ে আমি কিছুই জানি না। এটা নিয়ে কখনো ভাবিনি। মাঝে মাঝে আমার মনে হয়, আমার যে কৃতিত্ব প্রাপ্য তা কখনোই পাইনি। আমার বয়স ২৩-২৪ নয়, টুর্নামেন্ট শেষে ৩১ হবে। কিছু বিষয় আছে যা আপনার হাতে নেউই।







